০৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গফরগাঁওয়ে ধানের শীষ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের রণক্ষেত্র: গুলি ও অগ্নিসংযোগ, আহত ১০

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৭

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গফরগাঁও পৌর শহরের ইসলামিয়া স্কুলের সামনে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে প্রতীক পাওয়ার পর বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থকরা ধানের শীষের পক্ষে শোভাযাত্রার জন্য ইসলামিয়া স্কুলের সামনে জড়ো হচ্ছিলেন। একই সময় দলের বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান ‘হাঁস’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বিশাল মিছিল নিয়ে ওই এলাকা অতিক্রম করছিলেন। দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রকাশ্যে গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশ কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সোহাগসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু দাবি করেন, “আমার নেতাকর্মীদের ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হামলা করা হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। আমি এর বিচার ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি করছি।”
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “প্রতীক পাওয়ার পর আমার ১০ হাজার সমর্থক শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিল। আমি নিজেই গাড়িতে ছিলাম। আমরা কারও ওপর হামলা করিনি।”

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল আল মামুন জানান, “বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন ও সংঘর্ষের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

গফরগাঁওয়ে ধানের শীষ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের রণক্ষেত্র: গুলি ও অগ্নিসংযোগ, আহত ১০

আপডেট: ০৮:৩৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গফরগাঁও পৌর শহরের ইসলামিয়া স্কুলের সামনে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে প্রতীক পাওয়ার পর বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থকরা ধানের শীষের পক্ষে শোভাযাত্রার জন্য ইসলামিয়া স্কুলের সামনে জড়ো হচ্ছিলেন। একই সময় দলের বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান ‘হাঁস’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বিশাল মিছিল নিয়ে ওই এলাকা অতিক্রম করছিলেন। দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রকাশ্যে গুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশ কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সোহাগসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু দাবি করেন, “আমার নেতাকর্মীদের ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হামলা করা হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। আমি এর বিচার ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি করছি।”
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “প্রতীক পাওয়ার পর আমার ১০ হাজার সমর্থক শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিল। আমি নিজেই গাড়িতে ছিলাম। আমরা কারও ওপর হামলা করিনি।”

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল আল মামুন জানান, “বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন ও সংঘর্ষের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”