আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসন থেকে তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তারা লিখিত আবেদন জমা দেন। সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব জানিয়েছেন, বিধি অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
যারা সরে দাঁড়ালেন
* যশোর-১: স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসান জহির।
* যশোর-৩: এনসিপির খালিদ সাইফুল্লাহ।
* যশোর-৪: স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারহান সাজিদ।
এছাড়া যশোর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জহুরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে কারিগরি কারণে ব্যালট পেপারে তার নাম থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর যশোরের ৬টি আসনে এখন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন ৩৪ জন প্রার্থী। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক হাতে পাওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থীরা তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
বিশেষ করে যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে থাকায় সেখানে একটি হাড্ডাহাড্ডি ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মোট ভোটার: ২৪ লাখ ৭১ হাজার ৯০৮ জন।
ভোটকেন্দ্র: ৮২৪টি।
নিরাপত্তা: নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে।





















