০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৮০

কক্সবাজারের উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন শতাধিক ঝুপড়ি ঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও সর্বস্ব হারিয়ে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এখন হাড়কাঁপানো শীতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ডি-৪ ব্লকে অবস্থিত ব্র্যাক পরিচালিত একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারপাশের ঘনবসতিপূর্ণ ঝুপড়ি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।
খবর পেয়ে উখিয়া ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও সরু রাস্তা ও পানির সংকটের কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই কয়েকশ ঝুপড়ি ঘর পুড়ে যায়।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল এবং ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং ক্যাম্পে আগুনে বেশ কয়েকটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার এমন ঘটনায় ক্যাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

আপডেট: ০১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন শতাধিক ঝুপড়ি ঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও সর্বস্ব হারিয়ে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এখন হাড়কাঁপানো শীতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ডি-৪ ব্লকে অবস্থিত ব্র্যাক পরিচালিত একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারপাশের ঘনবসতিপূর্ণ ঝুপড়ি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।
খবর পেয়ে উখিয়া ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও সরু রাস্তা ও পানির সংকটের কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই কয়েকশ ঝুপড়ি ঘর পুড়ে যায়।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল এবং ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং ক্যাম্পে আগুনে বেশ কয়েকটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার এমন ঘটনায় ক্যাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।