ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে একের পর এক ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতাদের। সর্বশেষ গুঞ্জন অনুযায়ী, আগামী শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হতে পারেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে গত শনিবার দিল্লির প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় আওয়ামী লীগের দুই সাবেক মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই আয়োজনের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়—২৩ জানুয়ারি শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন হতে পারে।
তবে একই দিনে দিল্লিতে আওয়ামী লীগের আরও দুটি পৃথক কর্মসূচি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর একটিতে সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের এবং অন্যটিতে সাবেক মন্ত্রী মুহাম্মদ আলী আরাফাতের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এছাড়া ২৩ জানুয়ারি দিল্লিতেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি আলোচনা সভা। ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে দিল্লিভিত্তিক ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া। এতে সশরীরে অংশ নেবেন সাবেক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে সাবেক মন্ত্রী মুহাম্মদ আলী আরাফাতের।
এই আলোচনা সভার দুটি পোস্টার ইতোমধ্যে বিবিসি বাংলার হাতে এসেছে। এর একটিতে বড় করে শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহৃত হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, তিনিও ভার্চুয়ালি এই আলোচনায় যুক্ত হতে পারেন। তবে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেও তার অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়নি।
যদি শেখ হাসিনা এই আয়োজনে অংশ নেন, তাহলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে যাওয়ার পর এটিই হবে প্রথমবার, যখন তিনি ভারতীয় গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে আসবেন। যদিও এর আগে তিনি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজি ভাষার কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। বিবিসি বাংলাও ইমেইলের মাধ্যমেই তার সাক্ষাৎকার নিয়েছিল।
দলীয় সূত্র জানায়, শেখ হাসিনা নিয়মিত ভার্চুয়ালি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন আলোচনা সভায় যুক্ত হলেও এসব অংশগ্রহণ এখন পর্যন্ত কেবল অডিও মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল, ভিডিওতে নয়।
২৩ জানুয়ারির এসব কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লি ও ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।





















