অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ অনুমোদন ও তা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) এবং রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক এমডি প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার নবম বিশেষ জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এই আদেশ দেন। একইসাথে আদালত আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।
জালিয়াতির নেপথ্যে যা ছিল
আদালতে পেশ করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগপত্র ও শুনানি থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী:
: ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে ‘মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’ নামক একটি নামসর্বস্ব বা অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়।
: অনুমোদিত ঋণের অর্থ ছাড় করার পর তা বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরিয়ে সরাসরি এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
* পরিকল্পিত জালিয়াতি: দুদক আইনজীবীরা একে একটি ‘সুপরিকল্পিত আর্থিক জালিয়াতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের তৎকালীন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং এস আলম গ্রুপের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
আদালতের কার্যক্রম ও বর্তমান অবস্থা
শুনানির সময় কারাগারে থাকা রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক কর্মকর্তা নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হককে আদালতে হাজির করা হয়। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতির আবেদন জানালেও আদালত মামলার প্রাথমিক সত্যতা বিবেচনায় তা নামঞ্জুর করেন। গত বছরের অক্টোবর মাসে দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে |
দেশের আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় এই মামলাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। আলোচিত এই দুই প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম রোধে একটি বড় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আজকের অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর মামলার আইনি প্রক্রিয়া এক ধাপ সামনে এগিয়ে গেল।
০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:
কোটি টাকা আত্মসাৎ: এস আলম ও পিকে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু
-
নিউজ ডেস্ক - আপডেট: ০৪:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- ৬৫৩
সর্বাধিক পঠিত





















