১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ: চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬৮

নির্বাচনী প্রচারণায় ‘বাঁশের লাঠি প্রস্তুত রাখা’ ও উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। মঙ্গলবার এই নোটিশ জারি করা হলেও শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ পায়।
গত ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন মো. রুহুল আমিন। সেই বক্তব্যে তিনি কর্মীদের “লাঠিতে তেল মাখিয়ে” প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। একই দিন আসনটির বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খানের নির্বাচনী এজেন্ট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ ও ভিডিও ফুটেজ জমা দেন।

জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক ও বিচারিক কমিটির প্রধান নাসির হুসাইন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জানান:
* প্রার্থী তার বক্তব্যে “রক্ত ঝরানো” এবং “মরার জন্য প্রস্তুত থাকা”র মতো উসকানিমূলক শব্দ ব্যবহার করেছেন।
* বাঁশের লাঠি ব্যবহারের প্ররোচনা ভোটারদের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে পারে।
* এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ১৫ ও ১৬ বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
প্রার্থীর আত্মপক্ষ সমর্থন:
অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, “আমাদের মূল বক্তব্য ছিল ভোট চুরি প্রতিহত করা। প্রশাসনকে সহায়তার জন্য এবং সুন্দর নির্বাচনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই কর্মীদের শক্ত ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। এটি কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়।”

আগামী ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০:৩০ মিনিটে বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে প্রার্থীকে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ: চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

আপডেট: ০৭:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী প্রচারণায় ‘বাঁশের লাঠি প্রস্তুত রাখা’ ও উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। মঙ্গলবার এই নোটিশ জারি করা হলেও শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ পায়।
গত ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন মো. রুহুল আমিন। সেই বক্তব্যে তিনি কর্মীদের “লাঠিতে তেল মাখিয়ে” প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। একই দিন আসনটির বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খানের নির্বাচনী এজেন্ট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ ও ভিডিও ফুটেজ জমা দেন।

জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক ও বিচারিক কমিটির প্রধান নাসির হুসাইন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জানান:
* প্রার্থী তার বক্তব্যে “রক্ত ঝরানো” এবং “মরার জন্য প্রস্তুত থাকা”র মতো উসকানিমূলক শব্দ ব্যবহার করেছেন।
* বাঁশের লাঠি ব্যবহারের প্ররোচনা ভোটারদের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে পারে।
* এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ১৫ ও ১৬ বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
প্রার্থীর আত্মপক্ষ সমর্থন:
অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী রুহুল আমিন বলেন, “আমাদের মূল বক্তব্য ছিল ভোট চুরি প্রতিহত করা। প্রশাসনকে সহায়তার জন্য এবং সুন্দর নির্বাচনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই কর্মীদের শক্ত ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। এটি কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়।”

আগামী ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০:৩০ মিনিটে বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে প্রার্থীকে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।