১২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গলাচিপা-দশমিনাকে রাজনৈতিক সম্প্রীতির রোল মডেল করতে চাই”: নুরুল হক নুর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৭০

আসন্ন নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, গলাচিপা ও দশমিনাকে আমরা এমন একটি জনপদে পরিণত করতে চাই, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষ একই সামাজিক অনুষ্ঠানে কুশল বিনিময় করবে—এমন এক ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গড়তে চাই।
সোমবার রাতে দশমিনার গছানী গ্রামে এক ওরস মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে নুর বলেন, “বিজয় আমাদের হয়ে গেছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা বাকি ইনশাআল্লাহ। আমি আপনাদের নিয়ে কাজ করতে চাই এবং সারাজীবন আপনাদের পাশেই থাকতে চাই।”
দেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমি যেমন ওয়াজ মাহফিলে যাই, তেমনি ওরস মাহফিলেও এসেছি। আমাদের দেশে বাউলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন রয়েছে। প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব মতপ্রকাশ ও অনুষ্ঠান করার পূর্ণ স্বাধীনতা আছে। কারও ওপর হামলা করা বা অনুষ্ঠান পণ্ড করার ঔদ্ধত্য আমরা দেখাব না, কারণ এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা বাড়ে।”
গত ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নুর বলেন:
* চাঁদাবাজি মুক্ত এলাকা: গলাচিপা-দশমিনা অঞ্চলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ব্যবসা করতে কাউকে এক পয়সাও চাঁদা দিতে হবে না।
* নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ আক্রান্ত হলে সরাসরি তাকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।
নুরুল হক নুর তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “আগামীতে এই অঞ্চলকে রাজনৈতিক সম্প্রীতির রোল মডেল করতে চাই। একটি অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোক একসঙ্গে আসবে। রাজনৈতিক মতের ভিন্নতার কারণে কারও ওপর হামলা বা জুলুম হবে না।”

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

গলাচিপা-দশমিনাকে রাজনৈতিক সম্প্রীতির রোল মডেল করতে চাই”: নুরুল হক নুর

আপডেট: ০৭:১৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, গলাচিপা ও দশমিনাকে আমরা এমন একটি জনপদে পরিণত করতে চাই, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষ একই সামাজিক অনুষ্ঠানে কুশল বিনিময় করবে—এমন এক ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গড়তে চাই।
সোমবার রাতে দশমিনার গছানী গ্রামে এক ওরস মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে নুর বলেন, “বিজয় আমাদের হয়ে গেছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা বাকি ইনশাআল্লাহ। আমি আপনাদের নিয়ে কাজ করতে চাই এবং সারাজীবন আপনাদের পাশেই থাকতে চাই।”
দেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমি যেমন ওয়াজ মাহফিলে যাই, তেমনি ওরস মাহফিলেও এসেছি। আমাদের দেশে বাউলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন রয়েছে। প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব মতপ্রকাশ ও অনুষ্ঠান করার পূর্ণ স্বাধীনতা আছে। কারও ওপর হামলা করা বা অনুষ্ঠান পণ্ড করার ঔদ্ধত্য আমরা দেখাব না, কারণ এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা বাড়ে।”
গত ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নুর বলেন:
* চাঁদাবাজি মুক্ত এলাকা: গলাচিপা-দশমিনা অঞ্চলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ব্যবসা করতে কাউকে এক পয়সাও চাঁদা দিতে হবে না।
* নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ আক্রান্ত হলে সরাসরি তাকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।
নুরুল হক নুর তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “আগামীতে এই অঞ্চলকে রাজনৈতিক সম্প্রীতির রোল মডেল করতে চাই। একটি অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোক একসঙ্গে আসবে। রাজনৈতিক মতের ভিন্নতার কারণে কারও ওপর হামলা বা জুলুম হবে না।”