ঢাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার উসকানিদাতা হিসেবে তাদের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলো।
সোমবার (১২ জানুয়ারি, ২০২৬) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন।
অভিযোগ গঠন: ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।
* সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ: মামলার সূচনা বক্তব্য (Opening Statement) এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।
* অব্যাহতি নামঞ্জ: আসামিপক্ষের আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী আসামিদের নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতির আবেদন জানালে আদালত তা খারিজ করে দেন।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালতে জানান, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের মধ্যে একটি টেলিকথোপকথন হয়।
> “কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দিতে হবে”—উক্ত ফোনালাপে এমন বক্তব্যের মাধ্যমে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যা সংগঠিত করতে প্ররোচনা দিয়েছেন বলে প্রসিকিউশন দাবি করে। তাদের এই উসকানিমূলক বার্তার পরই রাজধানীসহ সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়।
২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক কারাগারে রয়েছেন। গত ৪ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (Formal Charge) দাখিল করা হয়েছিল, যা আজ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বিচারিক রূপে নিল।





















