০৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণহত্যা মামলা: জয় ও পলকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের আবেদন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৭২

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়েছে।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে কড়া নিরাপত্তায় জুনাইদ আহমেদ পলককে কারাগার থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ হাজির করা হয়। শুনানি চলাকালে প্রসিকিউশন পক্ষ আদালতের সামনে পলকের সেই আলোচিত বক্তব্য— “ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে”—প্লে করে শোনান। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের সেই পুরনো বক্তব্য গম্ভীর মুখে শুনতে দেখা যায় সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীকে।
এছাড়া ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করার বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং পলকের মধ্যকার কথোপকথনের বিস্তারিত বিবরণও আদালতে পড়ে শোনানো হয়।
প্রসিকিউশনের দাবি: ইন্টারনেট বন্ধ ছিল পরিকল্পিত নীলনকশা
অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আদালতকে জানান যে, তৎকালীন সরকার পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছিল। তিনি বলেন:
> “সাবমেরিন কেবল কাটা পড়া বা বিটিসিএল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের যে অজুহাত দেওয়া হয়েছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা হলেও প্রকৃতপক্ষে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশেই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক মিলে এই কর্মকাণ্ডের নীলনকশা প্রণয়ন করেছিলেন।”
মামলার অন্যতম প্রধান আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, পলকসহ অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন।
আজ প্রসিকিউশন পক্ষের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ১৫ জানুয়ারি আসামিপক্ষের শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

জুলাই গণহত্যা মামলা: জয় ও পলকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের আবেদন

আপডেট: ০৬:১৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়েছে।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে কড়া নিরাপত্তায় জুনাইদ আহমেদ পলককে কারাগার থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ হাজির করা হয়। শুনানি চলাকালে প্রসিকিউশন পক্ষ আদালতের সামনে পলকের সেই আলোচিত বক্তব্য— “ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে”—প্লে করে শোনান। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের সেই পুরনো বক্তব্য গম্ভীর মুখে শুনতে দেখা যায় সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীকে।
এছাড়া ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করার বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং পলকের মধ্যকার কথোপকথনের বিস্তারিত বিবরণও আদালতে পড়ে শোনানো হয়।
প্রসিকিউশনের দাবি: ইন্টারনেট বন্ধ ছিল পরিকল্পিত নীলনকশা
অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আদালতকে জানান যে, তৎকালীন সরকার পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছিল। তিনি বলেন:
> “সাবমেরিন কেবল কাটা পড়া বা বিটিসিএল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের যে অজুহাত দেওয়া হয়েছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা হলেও প্রকৃতপক্ষে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশেই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক মিলে এই কর্মকাণ্ডের নীলনকশা প্রণয়ন করেছিলেন।”
মামলার অন্যতম প্রধান আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, পলকসহ অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন।
আজ প্রসিকিউশন পক্ষের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ১৫ জানুয়ারি আসামিপক্ষের শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।