০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেড় যুগ পর সম্পাদকদের মুখোমুখি তারেক রহমান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৪

দেশে ফেরার দুই সপ্তাহ পর এবং বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মসূচিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তারেক রহমান। রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি সম্পাদক ও সাংবাদিকদের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দীর্ঘ ১৮ বছর পর দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের এমন সরাসরি ও প্রাণবন্ত সাক্ষাৎ উপস্থিত সবার মধ্যে বিশেষ আগ্রহের সৃষ্টি করে।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে দেশের জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকবৃন্দ, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বার্তা সংস্থাগুলোর শীর্ষ প্রধান এবং দেশের প্রথিতযশা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “সংগত কারণেই দীর্ঘ অনেকগুলো বছর দলের প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের গণমাধ্যম সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সরাসরি সাক্ষাৎ বা শুভেচ্ছা বিনিময় সম্ভব হয়নি। সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বাড়াতেই দলের পক্ষ থেকে আজকের এই আয়োজন।”
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর তাঁর মা এবং বিএনপির দীর্ঘকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
এরপর গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তারেক রহমানকে দলের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ রবিবারই তিনি প্রথম কোনো প্রকাশ্য ও আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সম্পাদকদের সঙ্গে তারেক রহমানের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে দেশের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমের সঙ্গে বিএনপির নতুন শীর্ষ নেতৃত্বের একটি সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ইমদাদুল হকের

দেড় যুগ পর সম্পাদকদের মুখোমুখি তারেক রহমান

আপডেট: ০৩:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে ফেরার দুই সপ্তাহ পর এবং বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মসূচিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তারেক রহমান। রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি সম্পাদক ও সাংবাদিকদের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দীর্ঘ ১৮ বছর পর দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের এমন সরাসরি ও প্রাণবন্ত সাক্ষাৎ উপস্থিত সবার মধ্যে বিশেষ আগ্রহের সৃষ্টি করে।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে দেশের জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকবৃন্দ, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বার্তা সংস্থাগুলোর শীর্ষ প্রধান এবং দেশের প্রথিতযশা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “সংগত কারণেই দীর্ঘ অনেকগুলো বছর দলের প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের গণমাধ্যম সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সরাসরি সাক্ষাৎ বা শুভেচ্ছা বিনিময় সম্ভব হয়নি। সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বাড়াতেই দলের পক্ষ থেকে আজকের এই আয়োজন।”
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর তাঁর মা এবং বিএনপির দীর্ঘকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
এরপর গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তারেক রহমানকে দলের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ রবিবারই তিনি প্রথম কোনো প্রকাশ্য ও আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সম্পাদকদের সঙ্গে তারেক রহমানের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে দেশের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমের সঙ্গে বিএনপির নতুন শীর্ষ নেতৃত্বের একটি সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।