০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে খেলাফত মজলিস নেতা শামসুর রহমান কারাগারে

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬২

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর যশোরে রাষ্ট্রবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় খেলাফত মজলিসের সক্রিয় কর্মী হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমানকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার রাতে স্থানীয় ছাত্রজনতা তাকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ও নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক
আটক শামসুর রহমান যশোর সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বরত।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মামলা: থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ওহিদুল ইসলাম একটি নাশকতার মামলা করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শামসুর রহমানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সোমবার রাতে স্থানীয় ছাত্রজনতা তাকে নিজ এলাকা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে এলে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
থানায় মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ: শামসুর রহমানকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে একদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সংগঠকরা এবং অন্যদিকে খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীরা থানা প্রাঙ্গণে জড়ো হন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেলে সেখানে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: * খেলাফত মজলিসের দাবি: জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ দাবি করেন, শামসুর রহমান একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ। কুতুবপুর গ্রামের শোয়াইব হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে আগে মামলা করায় প্রতিশোধ নিতে ‘মব’ তৈরি করে তাকে মারধর ও মিথ্যা অভিযোগে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। তারা একে ‘পরিকল্পিত প্রতিহিংসা’ বলে অভিহিত করেন।
* ছাত্রজনতার দাবি: সাবেক ছাত্র সংগঠক শোয়াইব হোসেন পাল্টা অভিযোগে বলেন, শামসুর রহমান ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের সাথে যোগসাজশে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাতেন। অতীতের কোনো শত্রুতা নয়, বরং তাঁর বর্তমান বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই স্থানীয় জনতা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য: যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, ছাত্রজনতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তে নাশকতার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে চার্জশিট দেওয়া হবে, অন্যথায় আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

যশোরে খেলাফত মজলিস নেতা শামসুর রহমান কারাগারে

আপডেট: ১১:৩০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর যশোরে রাষ্ট্রবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় খেলাফত মজলিসের সক্রিয় কর্মী হাফেজ মাওলানা শামসুর রহমানকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার রাতে স্থানীয় ছাত্রজনতা তাকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ও নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক
আটক শামসুর রহমান যশোর সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বরত।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মামলা: থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ওহিদুল ইসলাম একটি নাশকতার মামলা করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শামসুর রহমানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সোমবার রাতে স্থানীয় ছাত্রজনতা তাকে নিজ এলাকা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে এলে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
থানায় মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ: শামসুর রহমানকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে একদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সংগঠকরা এবং অন্যদিকে খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীরা থানা প্রাঙ্গণে জড়ো হন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেলে সেখানে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: * খেলাফত মজলিসের দাবি: জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ দাবি করেন, শামসুর রহমান একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ। কুতুবপুর গ্রামের শোয়াইব হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে আগে মামলা করায় প্রতিশোধ নিতে ‘মব’ তৈরি করে তাকে মারধর ও মিথ্যা অভিযোগে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। তারা একে ‘পরিকল্পিত প্রতিহিংসা’ বলে অভিহিত করেন।
* ছাত্রজনতার দাবি: সাবেক ছাত্র সংগঠক শোয়াইব হোসেন পাল্টা অভিযোগে বলেন, শামসুর রহমান ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের সাথে যোগসাজশে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাতেন। অতীতের কোনো শত্রুতা নয়, বরং তাঁর বর্তমান বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই স্থানীয় জনতা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য: যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, ছাত্রজনতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তে নাশকতার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে চার্জশিট দেওয়া হবে, অন্যথায় আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।