০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোর জেনারেল হাসপাতালের গেট হকার ও ইজিবাইকের দখলে: রোগী পরিবহনে চরম ভোগান্তি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬২

যশোর২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলো অবৈধ দোকান, ভ্রাম্যমাণ হকার ও ইজিবাইকের দখলে চলে যাওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। হাসপাতালের দুই ও তিন নম্বর গেটে অ্যাম্বুলেন্সের অবৈধ পার্কিং এবং হকারদের দৌরাত্ম্যে জরুরি রোগী পরিবহনে সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা।
হাসপাতালটির তিনটি গেটের মধ্যে এক নম্বর গেটটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ। ফলে দুই ও তিন নম্বর গেট দিয়েই সকল মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই নম্বর গেটের সামনেই বসেছে চা, ঝালমুড়ি, ফল ও খেলনার দোকান। এর পাশাপাশি ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত রিকশার এলোমেলো অবস্থানের কারণে প্রায়ই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্সগুলো সময়মতো ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না।:
দুই নম্বর গেটের চায়ের দোকানদার জুম্মান হোসেন ও শামীমসহ একাধিক বিক্রেতা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। যানজটের বিষয়টি স্বীকার করলেও রুটি-রুজির তাগিদেই তারা এখানে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন।

তিন নম্বর গেট এলাকায় ‘সুপ গ্যালারি’সহ সারি সারি ফলের দোকান গড়ে উঠেছে। এছাড়া দুই থেকে তিন নম্বর গেট পর্যন্ত সড়কের সিংহভাগ অংশ জুড়ে অবৈধভাবে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং করে রাখা হয়। ফলে গেটের অর্ধেক অংশই কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব অবৈধ দখলের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, “আমরা বিভিন্ন সময়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি, কিন্তু একেক সময় একেক পক্ষ এসে পুনরায় দখল করে নেয়। এই সমস্যা সমাধানে একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান জানান, নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুক্ষণ পর হকাররা আবারও ফিরে আসে। তবে অবৈধ পার্কিং ও দখলের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
হাসপাতালটির প্রবেশপথগুলো দ্রুত দখলমুক্ত করে রোগীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

যশোর জেনারেল হাসপাতালের গেট হকার ও ইজিবাইকের দখলে: রোগী পরিবহনে চরম ভোগান্তি

আপডেট: ০৭:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলো অবৈধ দোকান, ভ্রাম্যমাণ হকার ও ইজিবাইকের দখলে চলে যাওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। হাসপাতালের দুই ও তিন নম্বর গেটে অ্যাম্বুলেন্সের অবৈধ পার্কিং এবং হকারদের দৌরাত্ম্যে জরুরি রোগী পরিবহনে সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা।
হাসপাতালটির তিনটি গেটের মধ্যে এক নম্বর গেটটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ। ফলে দুই ও তিন নম্বর গেট দিয়েই সকল মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই নম্বর গেটের সামনেই বসেছে চা, ঝালমুড়ি, ফল ও খেলনার দোকান। এর পাশাপাশি ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত রিকশার এলোমেলো অবস্থানের কারণে প্রায়ই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্সগুলো সময়মতো ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না।:
দুই নম্বর গেটের চায়ের দোকানদার জুম্মান হোসেন ও শামীমসহ একাধিক বিক্রেতা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। যানজটের বিষয়টি স্বীকার করলেও রুটি-রুজির তাগিদেই তারা এখানে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন।

তিন নম্বর গেট এলাকায় ‘সুপ গ্যালারি’সহ সারি সারি ফলের দোকান গড়ে উঠেছে। এছাড়া দুই থেকে তিন নম্বর গেট পর্যন্ত সড়কের সিংহভাগ অংশ জুড়ে অবৈধভাবে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং করে রাখা হয়। ফলে গেটের অর্ধেক অংশই কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব অবৈধ দখলের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, “আমরা বিভিন্ন সময়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি, কিন্তু একেক সময় একেক পক্ষ এসে পুনরায় দখল করে নেয়। এই সমস্যা সমাধানে একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান জানান, নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুক্ষণ পর হকাররা আবারও ফিরে আসে। তবে অবৈধ পার্কিং ও দখলের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
হাসপাতালটির প্রবেশপথগুলো দ্রুত দখলমুক্ত করে রোগীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।