০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেঘনায় আবারো পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে লঞ্চের সংঘর্ষ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৭৬

বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের মেঘনা নদীতে ঘনকুয়াশার কবলে পড়ে একটি পণ্যবাহী জাহাজের সাথে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি মহারাজ-৭-এর সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে চাঁদপুর-মুলাদী নৌরুটের আলু বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে লঞ্চের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রী সূত্রে জানা গেছে, ঘনকুয়াশার কারণে নদীর তীরে নোঙর করে রাখা একটি পণ্যবাহী জাহাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ে এমভি মহারাজ-৭। এতে লঞ্চের দ্বিতীয় তলার প্রায় ৩০ ফুট অংশ ভেঙে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নিচের তলায় নেমে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। পরবর্তীতে বেলা ১২টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় লঞ্চটি যাত্রী নিয়ে বরিশালের মুলাদী ঘাটে পৌঁছায়।

এমভি মহারাজ-৭-এর মাস্টার মো. মনিরুজ্জামান দাবি করেন:
> “কুয়াশার কারণে আমরা রাত থেকে নোঙর করে ছিলাম। সকালে রওয়ানা দেওয়ার পর একটি ছোট কার্গো জাহাজ আমাদের লঞ্চের মাঝ বরাবর আঘাত করে। এতে দোতলার দুটি কেবিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
>
তবে লঞ্চের যাত্রীরা মাস্টারের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, পণ্যবাহী জাহাজটি স্থিরভাবে নোঙর করা ছিল। ঘনকুয়াশার মধ্যে অসতর্কভাবে লঞ্চ চালানোর কারণে মাস্টার সেটি খেয়াল করতে পারেননি এবং সরাসরি জাহাজে ধাক্কা দেন।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-এর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক জুলফিকার আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও মেঘনা নদীতে ঘনকুয়াশার কারণে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে চারজন যাত্রী নিহত হয়েছিলেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও একই রুটে দুর্ঘটনার ফলে নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে

সর্বাধিক পঠিত

আজ বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তে রুপির দর বাড়ল, ১০০ টাকায় মিলছে ৭৯.২০ রুপি

মেঘনায় আবারো পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে লঞ্চের সংঘর্ষ

আপডেট: ০৪:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের মেঘনা নদীতে ঘনকুয়াশার কবলে পড়ে একটি পণ্যবাহী জাহাজের সাথে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি মহারাজ-৭-এর সংঘর্ষ হয়েছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে চাঁদপুর-মুলাদী নৌরুটের আলু বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে লঞ্চের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের
প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রী সূত্রে জানা গেছে, ঘনকুয়াশার কারণে নদীর তীরে নোঙর করে রাখা একটি পণ্যবাহী জাহাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ে এমভি মহারাজ-৭। এতে লঞ্চের দ্বিতীয় তলার প্রায় ৩০ ফুট অংশ ভেঙে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নিচের তলায় নেমে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। পরবর্তীতে বেলা ১২টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় লঞ্চটি যাত্রী নিয়ে বরিশালের মুলাদী ঘাটে পৌঁছায়।

এমভি মহারাজ-৭-এর মাস্টার মো. মনিরুজ্জামান দাবি করেন:
> “কুয়াশার কারণে আমরা রাত থেকে নোঙর করে ছিলাম। সকালে রওয়ানা দেওয়ার পর একটি ছোট কার্গো জাহাজ আমাদের লঞ্চের মাঝ বরাবর আঘাত করে। এতে দোতলার দুটি কেবিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
>
তবে লঞ্চের যাত্রীরা মাস্টারের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, পণ্যবাহী জাহাজটি স্থিরভাবে নোঙর করা ছিল। ঘনকুয়াশার মধ্যে অসতর্কভাবে লঞ্চ চালানোর কারণে মাস্টার সেটি খেয়াল করতে পারেননি এবং সরাসরি জাহাজে ধাক্কা দেন।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-এর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক জুলফিকার আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও মেঘনা নদীতে ঘনকুয়াশার কারণে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে চারজন যাত্রী নিহত হয়েছিলেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও একই রুটে দুর্ঘটনার ফলে নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে