০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বীমা খাতেও লুটপাটের অভিযোগ অর্থমন্ত্রীর, অপরিশোধিত দাবি ৫৭ শতাংশ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

ব্যাংক খাতের মতো দেশের বীমা খাতেও বড় ধরনের লুটপাট চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে বীমা খাতের সাধারণ মানুষ বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বীমা খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা জরুরি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সভায় বীমা খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশের মোট বীমা দাবির প্রায় ৫৭ শতাংশ এখনো অপরিশোধিত রয়েছে। অনেক বীমা কোম্পানি গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ না করে নিজেদের সম্পদের পরিমাণ বাড়াতে ব্যস্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বীমা খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গ্রাহকদের পাওনা দ্রুত পরিশোধ এবং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

বীমা দাবির অর্থ পরিশোধে কোম্পানিগুলোর গড়িমসির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সব বীমা কোম্পানিকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে জনগণের পাওনা পরিশোধের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের দাবি নিষ্পত্তিতে কোনো ধরনের অবহেলা বা দীর্ঘসূত্রতা সহ্য করা হবে না। বীমা কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বীমা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সব কোম্পানিকে দ্রুত অটোমেশন প্রক্রিয়ার আওতায় আনার নির্দেশনাও দেন মন্ত্রী। আইডিআরএ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা সব কোম্পানিকে যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। যারা অনিয়ম করবে কিংবা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় বীমা খাতের দীর্ঘসূত্রতা দূর করা, গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সূত্র: দৈনিক এদিন

সর্বাধিক পঠিত

আজ বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তে রুপির দর বাড়ল, ১০০ টাকায় মিলছে ৭৯.২০ রুপি

বীমা খাতেও লুটপাটের অভিযোগ অর্থমন্ত্রীর, অপরিশোধিত দাবি ৫৭ শতাংশ

আপডেট: ০৫:০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাংক খাতের মতো দেশের বীমা খাতেও বড় ধরনের লুটপাট চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে বীমা খাতের সাধারণ মানুষ বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বীমা খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা জরুরি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সভায় বীমা খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশের মোট বীমা দাবির প্রায় ৫৭ শতাংশ এখনো অপরিশোধিত রয়েছে। অনেক বীমা কোম্পানি গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ না করে নিজেদের সম্পদের পরিমাণ বাড়াতে ব্যস্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বীমা খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গ্রাহকদের পাওনা দ্রুত পরিশোধ এবং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

বীমা দাবির অর্থ পরিশোধে কোম্পানিগুলোর গড়িমসির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সব বীমা কোম্পানিকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে জনগণের পাওনা পরিশোধের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের দাবি নিষ্পত্তিতে কোনো ধরনের অবহেলা বা দীর্ঘসূত্রতা সহ্য করা হবে না। বীমা কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বীমা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সব কোম্পানিকে দ্রুত অটোমেশন প্রক্রিয়ার আওতায় আনার নির্দেশনাও দেন মন্ত্রী। আইডিআরএ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা সব কোম্পানিকে যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। যারা অনিয়ম করবে কিংবা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় বীমা খাতের দীর্ঘসূত্রতা দূর করা, গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সূত্র: দৈনিক এদিন