০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাদি হত্যা: আসামিদের ভারতে পালাতে সহায়তা করায় ২ ভারতীয় গ্রেপ্তার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৪

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মেঘালয় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পুর্তি ও সামী।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাদি হত্যাকাণ্ডটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা। অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর শেখ ঢাকা থেকে সিএনজিযোগে আমিনবাজার এবং পরে পর্যায়ক্রমে কালামপুর হয়ে ময়মনসিংহ সীমান্তে পৌঁছান। সেখানে ফিলিপ স্নাল ও সঞ্জয় নামে দুই ব্যক্তি তাদের গ্রহণ করে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে ফিলিপ তাদের ভারতের তুরা নামক স্থানে ভারতীয় নাগরিক পুর্তির কাছে পৌঁছে দেন। সেখান থেকে সামী নামের এক ব্যক্তির গাড়িতে করে তারা আত্মগোপন করেন। ভারতীয় পুলিশ এই চক্রের দুই সদস্য পুর্তি ও সামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন এবং ৪ জন সাক্ষী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন:
> “তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এটি একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। এর নেপথ্যে থাকা অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সবার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে। পলাতক প্রধান আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়েও কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সর্বাধিক পঠিত

আজ বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তে রুপির দর বাড়ল, ১০০ টাকায় মিলছে ৭৯.২০ রুপি

হাদি হত্যা: আসামিদের ভারতে পালাতে সহায়তা করায় ২ ভারতীয় গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৩:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মেঘালয় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পুর্তি ও সামী।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাদি হত্যাকাণ্ডটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা। অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর শেখ ঢাকা থেকে সিএনজিযোগে আমিনবাজার এবং পরে পর্যায়ক্রমে কালামপুর হয়ে ময়মনসিংহ সীমান্তে পৌঁছান। সেখানে ফিলিপ স্নাল ও সঞ্জয় নামে দুই ব্যক্তি তাদের গ্রহণ করে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে ফিলিপ তাদের ভারতের তুরা নামক স্থানে ভারতীয় নাগরিক পুর্তির কাছে পৌঁছে দেন। সেখান থেকে সামী নামের এক ব্যক্তির গাড়িতে করে তারা আত্মগোপন করেন। ভারতীয় পুলিশ এই চক্রের দুই সদস্য পুর্তি ও সামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন এবং ৪ জন সাক্ষী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন:
> “তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এটি একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। এর নেপথ্যে থাকা অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সবার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে। পলাতক প্রধান আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়েও কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।