ঢাকা রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণ করতে আসা লাখো মানুষের ভিড়ে সবার নজর কেড়েছে এক খুদে সমর্থক। মাথায় চিরচেনা সেই বিশেষ ঢঙে ঘোমটা দেওয়া সাদা শাড়ি আর চোখে চশমা— হুবহু বেগম খালেদা জিয়ার সাজে সজ্জিত হয়ে বাবার হাত ধরে সেখানে হাজির হয়েছে যশোরের শিশু সারিকা ফাতেমা।
কে এই সারিকা?
সারিকা ফাতেমা যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে যশোর জেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক এস্কেন্দার আলী জনির মেয়ে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই বাবার সঙ্গে ঢাকার রাজপথে অবস্থান করছে এই খুদে ভক্ত
সারিকা জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও ত্যাগ তাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে। তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার প্রবল ইচ্ছা থেকেই যশোর থেকে ঢাকায় ছুটে আসা। সারিকার ভাষ্যমতে:
“তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ হবে। আমি বড় হয়ে বিএনপির একজন নিবেদিত সমর্থক হিসেবে কাজ করতে চাই।”
রাজনীতির প্রতি ভালোবাসা থাকলেও সারিকার মনে একরাশ কষ্ট জমে আছে তার বাবার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে। তার বাবা এস্কেন্দার আলী জনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলামের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করেছিলেন এবং দল করতে গিয়ে একাধিকবার জেলও খেটেছেন। সারিকা দাবি করে, তার বাবা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। এই বিশেষ মুহূর্তে সে তারেক রহমানের কাছে আকুতি জানায় যেন তার বাবার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
সারিকার বাবা এস্কেন্দার আলী জনি বলেন, “সারিকা ছোটবেলা থেকেই বেগম জিয়ার ভাষণ শুনে তা হুবহু অনুকরণ করার চেষ্টা করত। তার প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল খালেদা জিয়ার সাজে সাজার।” নিজের বহিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক জীবনে অনেক ঝড় মোকাবিলা করেছেন, তবুও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তিনি দলীয় সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা প্রত্যাশা করেন।
যশোরের এই খুদে ‘খালেদা জিয়া’ এখন ৩০০ ফিট এলাকার নেতাকর্মীদের মধ্যে কৌতূহল ও অনুপ্রেরণার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।





















