ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হক (৩৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার ইদ্রইল গ্রামের বাসিন্দা। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন।
শনিবার রাতে ৪২ বিজিবির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আসাদুল হক পুলিশের কাছে চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি ছিলেন। তিনি অবৈধ মানবপাচারের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে বিজিবির দাবি। তার বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে পীরগঞ্জ সীমান্ত থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের একটি দলের ওপর বিএসএফের চকশিবানন্দ ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি চালান। এতে আসাদুল হক গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে ভারতের রায়গঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পীরগঞ্জের বৈরচুনা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহাজাহান আলী বলেন, আসাদুল তার এলাকার বাসিন্দা। ভারতীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে মৃত্যুর খবর জানতে পেরে তিনি আসাদুলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি বিজিবিকে জানান।
দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন বলেন, বিএসএফের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়নি। এ বিষয়ে রোববার বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।




















