১২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেশবপুরে বিএনপির কাণ্ডারি আবুল হোসেন আজাদ: ত্যাগ ও জনসেবার স্বীকৃতিতে পেলেন মনোনয়ন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৯

কেশবপুর আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই, ত্যাগ এবং এলাকার উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দল তাঁর ওপর এই আস্থা রেখেছে।
দুর্দিনের কাণ্ডারি ও দক্ষ সংগঠক
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, গত দেড় দশকে হামলা-মামলা ও চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও কেশবপুর বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে আবুল হোসেন আজাদের ভূমিকা অপরিসীম। নির্যাতিত নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগতভাবে আশ্রয় ও সাহস জুগিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের প্রিয়মুখ। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি কেশবপুরে ধানের শীষের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছেন।
রাজনীতির বাইরেও একজন দানবীর ও সমাজসেবক হিসেবে আবুল হোসেন আজাদের পরিচিতি ঈর্ষণীয়।
* ধর্মীয় ও শিক্ষা বিস্তার: ব্যক্তিগত অর্থায়নে গড়ে তুলেছেন একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও দলীয় কার্যালয়।
* কর্মসংস্থান সৃষ্টি: অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর স্বাবলম্বী করতে নিজের জমিতে বিনামূল্যে দোকানঘর বরাদ্দ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।
মনোনয়ন প্রাপ্তির পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আবুল হোসেন আজাদ বলেন:
আলহামদুল্লিাহ, দল আমার ত্যাগ ও শ্রমের মূল্যায়ন করে আমাকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে। কেশবপুরের সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ভালোবাসা আমার শক্তি। ইনশাআল্লাহ, সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা এই আসনে ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে দেশনেত্রীকে উপহার দেব।”
>
দীর্ঘদিন পর ভোটের মাঠে তাঁর এই মনোনয়ন কেশবপুর বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী টিপু সুলতান আটক

কেশবপুরে বিএনপির কাণ্ডারি আবুল হোসেন আজাদ: ত্যাগ ও জনসেবার স্বীকৃতিতে পেলেন মনোনয়ন

আপডেট: ১২:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

কেশবপুর আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই, ত্যাগ এবং এলাকার উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দল তাঁর ওপর এই আস্থা রেখেছে।
দুর্দিনের কাণ্ডারি ও দক্ষ সংগঠক
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, গত দেড় দশকে হামলা-মামলা ও চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও কেশবপুর বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে আবুল হোসেন আজাদের ভূমিকা অপরিসীম। নির্যাতিত নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগতভাবে আশ্রয় ও সাহস জুগিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের প্রিয়মুখ। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি কেশবপুরে ধানের শীষের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছেন।
রাজনীতির বাইরেও একজন দানবীর ও সমাজসেবক হিসেবে আবুল হোসেন আজাদের পরিচিতি ঈর্ষণীয়।
* ধর্মীয় ও শিক্ষা বিস্তার: ব্যক্তিগত অর্থায়নে গড়ে তুলেছেন একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও দলীয় কার্যালয়।
* কর্মসংস্থান সৃষ্টি: অসহায় ও দরিদ্র পরিবারগুলোর স্বাবলম্বী করতে নিজের জমিতে বিনামূল্যে দোকানঘর বরাদ্দ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।
মনোনয়ন প্রাপ্তির পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আবুল হোসেন আজাদ বলেন:
আলহামদুল্লিাহ, দল আমার ত্যাগ ও শ্রমের মূল্যায়ন করে আমাকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে। কেশবপুরের সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ভালোবাসা আমার শক্তি। ইনশাআল্লাহ, সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা এই আসনে ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে দেশনেত্রীকে উপহার দেব।”
>
দীর্ঘদিন পর ভোটের মাঠে তাঁর এই মনোনয়ন কেশবপুর বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।