তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বসুন্ধরা ও ৩০০ ফিট
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বসুন্ধরা সংলগ্ন ৩০০ ফিট এলাকা এখন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই মানুষের ভিড়ে ওই এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
সকাল ৮টা থেকেই ৩০০ ফিট ও এর আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের ঢল নামতে শুরু করে। সরেজমিনে দেখা যায়, মূল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে ১৯টি চেয়ার দিয়ে। নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে পুরো এলাকা। ব্যানার, ফেস্টুন আর স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ পথ। অনেক মিছিলে দেখা গেছে ব্যান্ড সংগীতের দল, যা পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর আবহ তৈরি করেছে।
দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষের স্রোত
তারেক রহমানকে একনজর দেখতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীরা ঢাকায় জড়ো হয়েছেন।
* বরিশাল, রাজশাহী, দিনাজপুর ও খুলনা থেকে বিশেষ ট্রেন ও লঞ্চে করে নেতাকর্মীরা গত রাতেই পৌঁছেছেন।
* ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থেকে আসা যুবদল নেতা আকতারুল ইসলাম বলেন, “ফেসবুকে যাকে দেখেছি, আজ তাকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষায় আছি।”
* পটুয়াখালী থেকে দুই ছেলে ও ভাগ্নেকে নিয়ে এসেছেন প্রবীণ বিএনপি সমর্থক সুবিদ মাস্টার। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, “ষোলোটা বছর প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি। এমনকি তাঁর বক্তব্য পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই প্রিয় নেতাকে বরণ করতেই এই হাড়কাঁপানো শীতেও ছুটে আসা।”
ফেরার সময়সূচি
লন্ডনের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তারেক রহমান। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তাঁর বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
বর্তমানে বসুন্ধরা, যমুনা ফিউচার পার্ক এবং বনানী সংলগ্ন সড়কগুলোতে মানুষের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীরা তাঁদের প্রিয় নেতাকে শুভেচ্ছা জানাতে অপেক্ষা করছেন।





















