০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের ‘এলোপ্যাথিক’ দাপট: পাইলস কিওর সেন্টারে অভিযান, জরিমানা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৪

যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিশেষ উদ্যোগে শহরের বঙ্গবাজার এলাকায় অবস্থিত ‘যশোর পাইলস কিওর সেন্টার’-এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ভুয়া চিকিৎসা ও অবৈধ অস্ত্রোপচারের প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে বড় অঙ্কের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
হোমিওপ্যাথিক চেম্বারে মিলল কেবল এলোপ্যাথিক ওষুধ
অভিযান পরিচালনাকারী সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এইচ এস এম আব্দুর রব নিজেকে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও দীর্ঘ দিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ও পাইলসের জটিল অস্ত্রোপচার করে আসছিলেন। তল্লাশিকালে তার চেম্বারে কোনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধের অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি ভ্রাম্যমাণ আদালত। উল্টো সেখানে বিপুল পরিমাণ এলোপ্যাথিক ওষুধ মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হয়েও অবৈধভাবে এলোপ্যাথিক প্র্যাকটিস ও অপারেশন পরিচালনার অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাসুদেব বালু অভিযুক্ত আব্দুর রবকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়
ভ্রাম্যমাণ আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বীকার করেন যে, তিনি ঢাকা থেকে হোমিওপ্যাথিক (ডিএইচএমএস) প্রশিক্ষণ নিলেও দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই এলোপ্যাথিক পদ্ধতিতে পাইলসের অপারেশন করে আসছেন। তিনি ভারতের কলকাতা থেকে প্রশিক্ষণের দাবি করলেও এর স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।
যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এমন অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। শহরের প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম নীতি মানা হচ্ছে কি না, তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ইমদাদুল হক ইমদাদ, বড় আঁচড়ায় আবারও গণসংযোগ

যশোরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের ‘এলোপ্যাথিক’ দাপট: পাইলস কিওর সেন্টারে অভিযান, জরিমানা

আপডেট: ০৮:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিশেষ উদ্যোগে শহরের বঙ্গবাজার এলাকায় অবস্থিত ‘যশোর পাইলস কিওর সেন্টার’-এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ভুয়া চিকিৎসা ও অবৈধ অস্ত্রোপচারের প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে বড় অঙ্কের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
হোমিওপ্যাথিক চেম্বারে মিলল কেবল এলোপ্যাথিক ওষুধ
অভিযান পরিচালনাকারী সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এইচ এস এম আব্দুর রব নিজেকে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও দীর্ঘ দিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ও পাইলসের জটিল অস্ত্রোপচার করে আসছিলেন। তল্লাশিকালে তার চেম্বারে কোনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধের অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি ভ্রাম্যমাণ আদালত। উল্টো সেখানে বিপুল পরিমাণ এলোপ্যাথিক ওষুধ মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হয়েও অবৈধভাবে এলোপ্যাথিক প্র্যাকটিস ও অপারেশন পরিচালনার অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাসুদেব বালু অভিযুক্ত আব্দুর রবকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অনাদায়ে তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়
ভ্রাম্যমাণ আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বীকার করেন যে, তিনি ঢাকা থেকে হোমিওপ্যাথিক (ডিএইচএমএস) প্রশিক্ষণ নিলেও দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই এলোপ্যাথিক পদ্ধতিতে পাইলসের অপারেশন করে আসছেন। তিনি ভারতের কলকাতা থেকে প্রশিক্ষণের দাবি করলেও এর স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।
যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এমন অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। শহরের প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম নীতি মানা হচ্ছে কি না, তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।