০৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় গ্রেপ্তার যশোরের আলোচিত সাবেক কাউন্সিলর ‘টাক মিলন’

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৭০

যশোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা যুবলীগ নেতা জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে ‘টাক মিলনকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
যশোর ডিবির পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার মিলন যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে।
ওসি মোহাম্মদ আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিলনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল। ডিবির একটি বিশেষ টিম তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকা থেকে তাকে আটক করে। বর্তমানে তাকে নিয়ে পুলিশের টিম যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
অপরাধের দীর্ঘ খতিয়ান
টাক মিলনের বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক ও ক্যাসিনোকাণ্ডসহ অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে। তার উল্লেখযোগ্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে:
* সোহাগ হত্যা মামলা: ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর পুরাতন কসবা এলাকার যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অন্যতম আসামি মিলন।
২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি যশোর-৩ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাসভবনে বোমা হামলার নেতৃত্বে ছিলেন মিলন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে।: পালবাড়ির রয়েল কমিউনিটি সেন্টারে দীর্ঘদিন অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি দুবাই থেকে ফেরার পথে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকেও তাকে একবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিন সহযোগীসহ মদ্যপ অবস্থায় আটক হয়েছিলেন এই আলোচিত যুবলীগ নেতা।
যশোর ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাকে যশোর পৌঁছানোর পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ইমদাদুল হক ইমদাদ, বড় আঁচড়ায় আবারও গণসংযোগ

ঢাকায় গ্রেপ্তার যশোরের আলোচিত সাবেক কাউন্সিলর ‘টাক মিলন’

আপডেট: ০২:০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা যুবলীগ নেতা জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে ‘টাক মিলনকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
যশোর ডিবির পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার মিলন যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে।
ওসি মোহাম্মদ আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিলনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল। ডিবির একটি বিশেষ টিম তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকা থেকে তাকে আটক করে। বর্তমানে তাকে নিয়ে পুলিশের টিম যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
অপরাধের দীর্ঘ খতিয়ান
টাক মিলনের বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক ও ক্যাসিনোকাণ্ডসহ অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে। তার উল্লেখযোগ্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে:
* সোহাগ হত্যা মামলা: ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর পুরাতন কসবা এলাকার যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার অন্যতম আসামি মিলন।
২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি যশোর-৩ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাসভবনে বোমা হামলার নেতৃত্বে ছিলেন মিলন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে।: পালবাড়ির রয়েল কমিউনিটি সেন্টারে দীর্ঘদিন অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি দুবাই থেকে ফেরার পথে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকেও তাকে একবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিন সহযোগীসহ মদ্যপ অবস্থায় আটক হয়েছিলেন এই আলোচিত যুবলীগ নেতা।
যশোর ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাকে যশোর পৌঁছানোর পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।