০৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

বাজারে সয়াবিন তেল উধাও, নতুন দামে বিক্রি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৯

নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল এক প্রকার উধাও করে দিয়েছে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা। তবে গতকাল রবিবার (৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) নতুন দামের ২ লিটার তেলের বোতল বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সরকারের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণার ফলে একদিনের ব্যবধানে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে। শীতকালীন সবজির সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় এ সপ্তাহেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকাল যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়।
সম্প্রতি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা প্রতি লিটারে ৯ টাকা দাম বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছেন। নতুন নির্ধারিত দামগুলো হলো:
* ১ লিটার: ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ১৯৮ টাকা।
* ২ লিটার: ৩৭৮ টাকার পরিবর্তে ৩৯৬ টাকা।
* ৫ লিটার: ৯২২ টাকার পরিবর্তে ৯৬৫ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বড় বাজারের দোকানগুলো আগের দামে নির্ধারিত সয়াবিন তেলের বোতল সরিয়ে ফেলেছে। তারা অপরিচিত ক্রেতাদের কাছে পুরোনো তেল বিক্রি করছে না। তবে অভিযোগ রয়েছে, বেশি দাম দিলে পরিচিত ক্রেতারা পুরোনো তেল পাচ্ছে।
গতকাল বাজারে মেঘনা গ্রুপের ‘ফ্রেশ’ ব্র্যান্ডের ২ লিটার সয়াবিন তেলের বোতল ৩৯৬ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। যদিও এই কোম্পানির যশোর এরিয়ার টেরিটোরি ম্যানেজার দিদারুল আলম জানিয়েছেন, তাদের নতুন নির্ধারিত মূল্যের বোতলজাত সয়াবিন তেল এখনও বাজারে আসেনি
সম্প্রতি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হবে না—এমন খবরে অসাধু মজুতদাররা বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছিল। কিন্তু শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার খবরে একদিনের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা কমে গেছে।
বড় বাজারের খুচরা বিক্রেতা বিকাশ শিকদার জানান, গতকাল দেশি পুরোনো পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৪০ টাকা এবং নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পুরোনো আলুর দাম ছিল ১৮/২০ টাকা এবং নতুন আলুর দাম ছিল ৪০ টাকা কেজি।
পাইকারি বিক্রেতা মেসার্স জীবন বাণিজ্য ভাণ্ডার-এর স্বত্বাধিকারী রবিউল ইসলাম জীবন মিয়া জানান, সরকারের আমদানির ঘোষণায় দাম কমেছে এবং আগামী দুই-একদিনের মধ্যে দাম আরও অনেক কমে আসবে।
শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় এ সপ্তাহেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। খুচরা বিক্রেতা কৃষ্ণ চন্দ্র দাস জানান, গতকাল সাদা বেগুন ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ১০০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, পালংশাক ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৩৫/৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী সপ্তাহে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

বাজারে সয়াবিন তেল উধাও, নতুন দামে বিক্রি

আপডেট: ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল এক প্রকার উধাও করে দিয়েছে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা। তবে গতকাল রবিবার (৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) নতুন দামের ২ লিটার তেলের বোতল বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সরকারের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণার ফলে একদিনের ব্যবধানে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে। শীতকালীন সবজির সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় এ সপ্তাহেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকাল যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়।
সম্প্রতি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা প্রতি লিটারে ৯ টাকা দাম বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছেন। নতুন নির্ধারিত দামগুলো হলো:
* ১ লিটার: ১৮৯ টাকার পরিবর্তে ১৯৮ টাকা।
* ২ লিটার: ৩৭৮ টাকার পরিবর্তে ৩৯৬ টাকা।
* ৫ লিটার: ৯২২ টাকার পরিবর্তে ৯৬৫ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বড় বাজারের দোকানগুলো আগের দামে নির্ধারিত সয়াবিন তেলের বোতল সরিয়ে ফেলেছে। তারা অপরিচিত ক্রেতাদের কাছে পুরোনো তেল বিক্রি করছে না। তবে অভিযোগ রয়েছে, বেশি দাম দিলে পরিচিত ক্রেতারা পুরোনো তেল পাচ্ছে।
গতকাল বাজারে মেঘনা গ্রুপের ‘ফ্রেশ’ ব্র্যান্ডের ২ লিটার সয়াবিন তেলের বোতল ৩৯৬ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। যদিও এই কোম্পানির যশোর এরিয়ার টেরিটোরি ম্যানেজার দিদারুল আলম জানিয়েছেন, তাদের নতুন নির্ধারিত মূল্যের বোতলজাত সয়াবিন তেল এখনও বাজারে আসেনি
সম্প্রতি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হবে না—এমন খবরে অসাধু মজুতদাররা বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছিল। কিন্তু শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার খবরে একদিনের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা কমে গেছে।
বড় বাজারের খুচরা বিক্রেতা বিকাশ শিকদার জানান, গতকাল দেশি পুরোনো পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৪০ টাকা এবং নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পুরোনো আলুর দাম ছিল ১৮/২০ টাকা এবং নতুন আলুর দাম ছিল ৪০ টাকা কেজি।
পাইকারি বিক্রেতা মেসার্স জীবন বাণিজ্য ভাণ্ডার-এর স্বত্বাধিকারী রবিউল ইসলাম জীবন মিয়া জানান, সরকারের আমদানির ঘোষণায় দাম কমেছে এবং আগামী দুই-একদিনের মধ্যে দাম আরও অনেক কমে আসবে।
শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় এ সপ্তাহেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। খুচরা বিক্রেতা কৃষ্ণ চন্দ্র দাস জানান, গতকাল সাদা বেগুন ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ১০০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, পালংশাক ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৩৫/৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী সপ্তাহে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমতে পারে।