১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চৌগাছায় ঝন্টু হত্যার প্রধান আসামি আবু ওবায়দা আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরের চৌগাছায় সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঝন্টু মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু ওবায়দাকে আটক করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব-৬-এর ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল তাকে আটক করে।

জানা যায়, গত ১৯ মে রাত ৮টার দিকে উপজেলার দক্ষিণসাগর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ঝন্টু মিয়া উপজেলার মাড়ুয়া গাজীপাড়ার বাসিন্দা শফিয়ার রহমানের ছেলে। এ সময় তার ভাই আশানুর রহমানও গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝন্টুর ১৪ বছর বয়সী মামাতো বোন জুঁইকে একই গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে শান্ত মিয়া অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশে কিশোরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও বৈঠক শেষে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আবু ওবায়দাসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝন্টু মিয়া ও তার ভাই আশানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঝন্টু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আশানুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় আবু ওবায়দার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি জানান, আটক আবু ওবায়দাকে যশোরে আনা হচ্ছে এবং শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সুন্দরবনে দস্যুতা ও বন্যপ্রাণী শিকার: মোরেলগঞ্জে কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ১

চৌগাছায় ঝন্টু হত্যার প্রধান আসামি আবু ওবায়দা আটক

আপডেট: ০৯:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঝন্টু মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু ওবায়দাকে আটক করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব-৬-এর ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল তাকে আটক করে।

জানা যায়, গত ১৯ মে রাত ৮টার দিকে উপজেলার দক্ষিণসাগর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ঝন্টু মিয়া উপজেলার মাড়ুয়া গাজীপাড়ার বাসিন্দা শফিয়ার রহমানের ছেলে। এ সময় তার ভাই আশানুর রহমানও গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝন্টুর ১৪ বছর বয়সী মামাতো বোন জুঁইকে একই গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে শান্ত মিয়া অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশে কিশোরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও বৈঠক শেষে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আবু ওবায়দাসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝন্টু মিয়া ও তার ভাই আশানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঝন্টু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আশানুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় আবু ওবায়দার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি জানান, আটক আবু ওবায়দাকে যশোরে আনা হচ্ছে এবং শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।