০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

চবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫০

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ওমর ফারুক সুমন (২০-২২ শিক্ষাবর্ষ, আরবি বিভাগ)। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে খুলশীর ৫ নম্বর লেনের ১৭ নম্বর বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের জন্য রাখা হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুমন তার মামার বাসায় থাকতেন।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। সেই চিরকুটে লেখা ছিল:
“আমি সুমন, ওমর ফারুক সুমন। আমার কোনো আশা–আকাঙ্ক্ষা নেই। আর আমার কারো প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। সবাই ভালো থাকবেন। আমার সব অভিযোগ নিজের প্রতি। তাই আমার ব্যাপারে জানার চেষ্টা না করাটাই ভালো হবে।”
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে সুমনের বড় ভাই বাসা থেকে বেরিয়ে যান এবং সারাদিন সুমন একাই বাসায় ছিলেন। বিকেল ৪টার দিকে সুমন বড় ভাইকে ফোন করে কখন বাসায় ফিরবেন তা জানতে চান। বড় ভাই ফিরতে দেরি হবে জানালে, এরপর কিছুক্ষণ পর বড় ভাই তাকে ফোন করলে সুমন আর ফোন রিসিভ করেননি।
পরে তাদের মা ছেলের নম্বরে যোগাযোগ করতে না পেরে বড় ভাইকে জানালে উদ্বেগ তৈরি হয়। বড় ভাই দ্রুত বাসার দারোয়ানকে দিয়ে বাসা চেক করান। দারোয়ান কলিংবেল বাজিয়ে সাড়া না পেয়ে জানালে, তিনি দ্রুত বাসায় এসে দরজা খুলে সুমনকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

চবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ১২:১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ওমর ফারুক সুমন (২০-২২ শিক্ষাবর্ষ, আরবি বিভাগ)। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে খুলশীর ৫ নম্বর লেনের ১৭ নম্বর বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের জন্য রাখা হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুমন তার মামার বাসায় থাকতেন।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। সেই চিরকুটে লেখা ছিল:
“আমি সুমন, ওমর ফারুক সুমন। আমার কোনো আশা–আকাঙ্ক্ষা নেই। আর আমার কারো প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। সবাই ভালো থাকবেন। আমার সব অভিযোগ নিজের প্রতি। তাই আমার ব্যাপারে জানার চেষ্টা না করাটাই ভালো হবে।”
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে সুমনের বড় ভাই বাসা থেকে বেরিয়ে যান এবং সারাদিন সুমন একাই বাসায় ছিলেন। বিকেল ৪টার দিকে সুমন বড় ভাইকে ফোন করে কখন বাসায় ফিরবেন তা জানতে চান। বড় ভাই ফিরতে দেরি হবে জানালে, এরপর কিছুক্ষণ পর বড় ভাই তাকে ফোন করলে সুমন আর ফোন রিসিভ করেননি।
পরে তাদের মা ছেলের নম্বরে যোগাযোগ করতে না পেরে বড় ভাইকে জানালে উদ্বেগ তৈরি হয়। বড় ভাই দ্রুত বাসার দারোয়ানকে দিয়ে বাসা চেক করান। দারোয়ান কলিংবেল বাজিয়ে সাড়া না পেয়ে জানালে, তিনি দ্রুত বাসায় এসে দরজা খুলে সুমনকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।