০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৯

সরকার ঘোষিত সময়সীমা ৩০ নভেম্বর শেষ হয়ে যাওয়ায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে চার মাস স্থগিত থাকার পর গত ২১ আগস্ট থেকে এই বন্দর দিয়ে পুনরায় আমদানি শুরু হয়েছিল।
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানির সর্বশেষ দিন ছিল গত ৩০ নভেম্বর। এই চার মাসে ভারত থেকে মোট ১৮ হাজার ১১ টন চাল বেনাপোলে আমদানি হয়েছে।
আগস্ট | ১,২৬০ | সেপ্টেম্বর | ৫,৪৩৫ অক্টোবর | ৫,১৮৮ নভেম্বর | ৬,১২৮ মোট | ১৮,০১১ |
বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস জানান, আমদানি শুরুর প্রথম দিকে চাপ বেশি থাকলেও পরে তা কিছুটা কমে যায়। তবে সময়সীমার শেষ দিকে আবারও আমদানি বেড়ে গিয়েছিল।
বেনাপোল বাজারের খুচরা চাল বিক্রেতা স্বপন জানান, ভারতীয় চাল আসার পর স্থানীয় বাজারে সব ধরনের চালের দাম কেজি প্রতি ৩-৪ টাকা পর্যন্ত কমেছে। নতুন আমন ধান বাজারে পুরোপুরি উঠলে দাম আরও কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বর্তমানে শার্শার বাজার দর (কেজি প্রতি):
* ভারতীয় স্বর্ণা-৫ চাল: ৪৮-৫০ টাকা
* ভারতীয় শম্পা জাতের চাল: ৬৬-৬৮ টাকা
* দেশীয় নতুন স্বর্ণা জাতের চাল: ৪৭-৪৮ টাকা
সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবর রহমান জানান, চলতি বছরের ১৫ এপ্রিলের পর দীর্ঘ বিরতি শেষে গত ২১ আগস্ট চাল আমদানি শুরু হয়। ১০০ দিনের মধ্যে মোট ৫৫ দিন আমদানি সচল ছিল। বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, এই চালগুলো ৩ মাস ১০ দিনে ১৫৫টি চালানের মাধ্যমে ৫৮০টি ট্রাকে করে এসেছে।
সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি জসিম উদ্দীন জানান, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমেই বেশিরভাগ চালের খালাস কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
আমদানি বন্ধের বিষয়ে উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, নতুন করে সময় বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। কৃষকেরা এখন আমন ধান কাটছেন, যা বাজারে এলে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং চালের ঘাটতি কমবে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ

আপডেট: ০৯:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকার ঘোষিত সময়সীমা ৩০ নভেম্বর শেষ হয়ে যাওয়ায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে চার মাস স্থগিত থাকার পর গত ২১ আগস্ট থেকে এই বন্দর দিয়ে পুনরায় আমদানি শুরু হয়েছিল।
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানির সর্বশেষ দিন ছিল গত ৩০ নভেম্বর। এই চার মাসে ভারত থেকে মোট ১৮ হাজার ১১ টন চাল বেনাপোলে আমদানি হয়েছে।
আগস্ট | ১,২৬০ | সেপ্টেম্বর | ৫,৪৩৫ অক্টোবর | ৫,১৮৮ নভেম্বর | ৬,১২৮ মোট | ১৮,০১১ |
বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস জানান, আমদানি শুরুর প্রথম দিকে চাপ বেশি থাকলেও পরে তা কিছুটা কমে যায়। তবে সময়সীমার শেষ দিকে আবারও আমদানি বেড়ে গিয়েছিল।
বেনাপোল বাজারের খুচরা চাল বিক্রেতা স্বপন জানান, ভারতীয় চাল আসার পর স্থানীয় বাজারে সব ধরনের চালের দাম কেজি প্রতি ৩-৪ টাকা পর্যন্ত কমেছে। নতুন আমন ধান বাজারে পুরোপুরি উঠলে দাম আরও কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বর্তমানে শার্শার বাজার দর (কেজি প্রতি):
* ভারতীয় স্বর্ণা-৫ চাল: ৪৮-৫০ টাকা
* ভারতীয় শম্পা জাতের চাল: ৬৬-৬৮ টাকা
* দেশীয় নতুন স্বর্ণা জাতের চাল: ৪৭-৪৮ টাকা
সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবর রহমান জানান, চলতি বছরের ১৫ এপ্রিলের পর দীর্ঘ বিরতি শেষে গত ২১ আগস্ট চাল আমদানি শুরু হয়। ১০০ দিনের মধ্যে মোট ৫৫ দিন আমদানি সচল ছিল। বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, এই চালগুলো ৩ মাস ১০ দিনে ১৫৫টি চালানের মাধ্যমে ৫৮০টি ট্রাকে করে এসেছে।
সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি জসিম উদ্দীন জানান, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমেই বেশিরভাগ চালের খালাস কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
আমদানি বন্ধের বিষয়ে উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, নতুন করে সময় বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। কৃষকেরা এখন আমন ধান কাটছেন, যা বাজারে এলে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং চালের ঘাটতি কমবে।