১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

যশোরে চয়ন দাস হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেফতার:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৮

চাঞ্চল্যকর চয়ন দাস হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মানিক কুমার ও মুক্ত কুমার। তারা দুজনেই সদর উপজেলার সানতলা গ্রামের কৃষ্ণ কুমারের ছেলে।
যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি কুন্ডুপাড়ায় একটি নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দাসপাড়ার যুবকদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এই বিরোধ পরদিন মল্লিকপুরে সংঘর্ষের রূপ নেয়। সংঘর্ষের ঘটনায় চয়নের বন্ধু জবীন দাস ও স্বাধীন দাস ছুরিকাহত হন।
ঘটনার দু’দিন পর, ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে চয়ন দাস আহত বন্ধুদের হাসপাতালে দেখে ফেরার পথে শানতলা এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাকে রাস্তার ওপর ফেলে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পলাতক ছিলেন দীর্ঘ দিন
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহত চয়ন দাসের পিতা নয়ন দাস বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত মানিক ও মুক্ত কুমার ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন এবং ঘটনার পর থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পালবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায় এবং সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

যশোরে চয়ন দাস হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেফতার:

আপডেট: ০৭:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

চাঞ্চল্যকর চয়ন দাস হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মানিক কুমার ও মুক্ত কুমার। তারা দুজনেই সদর উপজেলার সানতলা গ্রামের কৃষ্ণ কুমারের ছেলে।
যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি কুন্ডুপাড়ায় একটি নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দাসপাড়ার যুবকদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এই বিরোধ পরদিন মল্লিকপুরে সংঘর্ষের রূপ নেয়। সংঘর্ষের ঘটনায় চয়নের বন্ধু জবীন দাস ও স্বাধীন দাস ছুরিকাহত হন।
ঘটনার দু’দিন পর, ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে চয়ন দাস আহত বন্ধুদের হাসপাতালে দেখে ফেরার পথে শানতলা এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাকে রাস্তার ওপর ফেলে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পলাতক ছিলেন দীর্ঘ দিন
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহত চয়ন দাসের পিতা নয়ন দাস বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত মানিক ও মুক্ত কুমার ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন এবং ঘটনার পর থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পালবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায় এবং সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।