(বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) এবং পুলিশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যশোর আদালতে বিজিবির একজন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
* অভিযুক্ত: আবুল বাসার বিশ্বাস (৫৫), বিজিবি সদস্য। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার পাঠান পাইকপাড়া গ্রামের নুর আলী বিশ্বাসের ছেলে।
* বাদী: ইসমাইল হোসেন (৬৩), যশোর সদর উপজেলার সাতমাইল মথুরাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বাদী ইসমাইল হোসেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, পূর্ব পরিচিত হওয়ায় বিজিবি সদস্য আবুল বাসার তার ছেলেকে বিজিবিতে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এজন্য তিনি মোট ৭ লাখ টাকা দাবি করেন।
বাদী সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে প্রথমে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ২০১৮ সালের ১ জুন আবুল বাশারকে সাড়ে তিন লাখ টাকা দেন। আবুল বাশার দুই মাসের মধ্যে চাকরি এবং চাকরি না হলে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
তবে নির্ধারিত সময়ে চাকরি না হওয়ায় কয়েক বছর কেটে যায়। পরে আবুল বাশার নতুনভাবে প্রস্তাব দেন যে, তার এক ছেলে পুলিশে চাকরি করায় বাদীর ছেলেকেও তিনি পুলিশে চাকরি পাইয়ে দিতে পারবেন।
কিন্তু সেই ক্ষেত্রেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বাদী টাকা ফেরত চাইলে, অভিযুক্ত আবুল বাশার সরাসরি বলে দেন, “চাকরিও দেব না, টাকাও ফেরত দেব না, পারলে আদায় করে নেন।” বাধ্য হয়ে ইসমাইল হোসেন আদালতে মামলা করেন।
আদালতের নির্দেশ
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহমত আলী বাদীর এই অভিযোগটি আমলে নিয়েছেন এবং অভিযুক্ত বিজিবি সদস্য আবুল বাসার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।




















