যশোরের বেনাপোলে ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারের মামলায় আবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ষষ্ঠ আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ জুলাই সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোলের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায় বেনাপোল পোর্ট থানা-পুলিশ। তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে সন্দেহভাজন হিসেবে আবুল হোসেনকে আটক করা হয়।
পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে কোমরে লুঙ্গির ভেতরে লুকিয়ে রাখা পাঁচটি পলিপ্যাকেট থেকে মোট ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০০ গ্রাম করে হেরোইন ছিল।
এ ঘটনায় এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২৯ আগস্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনিরুল ইসলাম আবুল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং তা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, মামলার রায় ঘোষণার সময় আবুল হোসেন পলাতক ছিলেন।




















