০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলা: গ্রেপ্তার ২৫

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৮

গোপালগঞ্জে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুরের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় এ পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে গত রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নতুন করে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এর আগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নতুন করে আরও ১৮ জন গ্রেপ্তার হওয়ায় মামলাটিতে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে।

গত শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি মিছিল থেকে টহলরত পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফুল মিয়া খান এবং কনস্টেবল মাহাবুবুর রহমান আহত হন।

এ ঘটনায় এসআই মো. ফুল মিয়া খান বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি মিছিল থেকে টহলরত পুলিশের ওপর হামলা এবং পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। তবে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এর আগে জানিয়েছিলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর ৩০ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে ২৩ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই সময় সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী হুমায়ুন রশীদ সোমবার পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ মিডিয়া গ্রুপে জানান, ২৫ অক্টোবর দায়ের করা মামলায় নতুন করে আরও ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলবে। একই সঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

কুমিল্লায় ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে প্রতারণা, আটক ১

গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলা: গ্রেপ্তার ২৫

আপডেট: ০৫:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

গোপালগঞ্জে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুরের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় এ পর্যন্ত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে গত রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নতুন করে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এর আগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নতুন করে আরও ১৮ জন গ্রেপ্তার হওয়ায় মামলাটিতে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে।

গত শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি মিছিল থেকে টহলরত পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফুল মিয়া খান এবং কনস্টেবল মাহাবুবুর রহমান আহত হন।

এ ঘটনায় এসআই মো. ফুল মিয়া খান বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি মিছিল থেকে টহলরত পুলিশের ওপর হামলা এবং পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। তবে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এর আগে জানিয়েছিলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর ৩০ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে ২৩ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই সময় সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী হুমায়ুন রশীদ সোমবার পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ মিডিয়া গ্রুপে জানান, ২৫ অক্টোবর দায়ের করা মামলায় নতুন করে আরও ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলবে। একই সঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।