০৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

যশোরে চুরির অপবাদে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৩

যশোরে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধরের ঘটনায় ১৪ বছর বয়সী কিশোর স্বাধীনকে হত্যার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নিহতের মা সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

মামলার আসামিরা হলেন বারান্দী মালোপাড়ার রেজা, তার শাশুড়ি ওলি, রনি, রনির বাবা আলী, পার্থ ও নারায়ণ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্বাধীন তার বন্ধু জাহার ফুয়াদ ওরফে জীবনকে সঙ্গে নিয়ে পূজা দেখতে বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকায় যায়। সেখানে একটি মন্দিরের গলির সামনে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট চালাচ্ছিল তারা।

এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি স্বাধীনকে চোর বলে অপবাদ দিয়ে মারধর শুরু করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।

বন্ধু স্বাধীনকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে জীবনও মারধরের শিকার হন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে স্বজনেরা আহত স্বাধীনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা হোম কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মা সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, “মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।”

সর্বাধিক পঠিত

মণিরামপুরে চায়ের দোকান থেকে ছাত্রলীগ নেতা সোহান আটক

যশোরে চুরির অপবাদে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: ০৫:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

যশোরে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধরের ঘটনায় ১৪ বছর বয়সী কিশোর স্বাধীনকে হত্যার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নিহতের মা সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

মামলার আসামিরা হলেন বারান্দী মালোপাড়ার রেজা, তার শাশুড়ি ওলি, রনি, রনির বাবা আলী, পার্থ ও নারায়ণ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্বাধীন তার বন্ধু জাহার ফুয়াদ ওরফে জীবনকে সঙ্গে নিয়ে পূজা দেখতে বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকায় যায়। সেখানে একটি মন্দিরের গলির সামনে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট চালাচ্ছিল তারা।

এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি স্বাধীনকে চোর বলে অপবাদ দিয়ে মারধর শুরু করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।

বন্ধু স্বাধীনকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে জীবনও মারধরের শিকার হন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে স্বজনেরা আহত স্বাধীনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা হোম কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মা সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, “মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।”