০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

নান্দনিক সাজসজ্জায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৫

যশোরের চৌগাছা উপজেলার স্বরূপদাহ ইউনিয়নের মাধবপুর শ্রীশ্রী কালীমন্দিরের দুর্গাপ্রতিমার নিখুঁত কারুকার্য ও পূজামণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করেছে। প্রতিমার সৌন্দর্য দেখতে পূজার সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের সমাগম ঘটে। প্রতিমা ও মণ্ডপের সৌন্দর্য বিবেচনায় এবার শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার স্বীকৃতি পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পূজা আয়োজকেরা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) মাধবপুর শ্রীশ্রী কালীমন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপে প্রতিমার কারুকার্য ও দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা দেখতে ভিড় করেন নানা বয়সী নারী-পুরুষ। প্রতিমার নিখুঁত নির্মাণশৈলী ও মণ্ডপের নান্দনিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

মাধবপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের সভাপতি উত্তম কুমার হালদার বলেন, মাধবপুরের শ্রীশ্রী কালীমন্দির ও দুর্গামন্দির প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। দীর্ঘদিন ধরে এখানে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। প্রতিবছরই প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, নানা আয়োজন ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও প্রতিবছর শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার পুরস্কার অন্য মণ্ডপে চলে যাওয়ায় তাঁদের আক্ষেপ রয়েছে। এবার প্রতিমার সৌন্দর্য, কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করে যোগ্য মণ্ডপকে পুরস্কৃত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মাধবপুর সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার হালদার বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় নান্দনিকতা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিমার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে এবার মাধবপুর শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার পুরস্কার পাবে বলে তাঁরা আশাবাদী।

উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক গোবিন্দ কুমার রায় বলেন, মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় সৌন্দর্যের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে মাধবপুরের পূজামণ্ডপকে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

স্থানীয় গ্রামবাসী ও পূজা আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিমার সৌন্দর্য, নিখুঁত কারুকার্য এবং মণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জার যথাযথ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে এবার মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি অর্জন করবে।

সর্বাধিক পঠিত

নান্দনিক সাজসজ্জায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা

নান্দনিক সাজসজ্জায় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা

আপডেট: ০৬:৩৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের চৌগাছা উপজেলার স্বরূপদাহ ইউনিয়নের মাধবপুর শ্রীশ্রী কালীমন্দিরের দুর্গাপ্রতিমার নিখুঁত কারুকার্য ও পূজামণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করেছে। প্রতিমার সৌন্দর্য দেখতে পূজার সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের সমাগম ঘটে। প্রতিমা ও মণ্ডপের সৌন্দর্য বিবেচনায় এবার শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার স্বীকৃতি পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পূজা আয়োজকেরা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) মাধবপুর শ্রীশ্রী কালীমন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপে প্রতিমার কারুকার্য ও দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা দেখতে ভিড় করেন নানা বয়সী নারী-পুরুষ। প্রতিমার নিখুঁত নির্মাণশৈলী ও মণ্ডপের নান্দনিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

মাধবপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের সভাপতি উত্তম কুমার হালদার বলেন, মাধবপুরের শ্রীশ্রী কালীমন্দির ও দুর্গামন্দির প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। দীর্ঘদিন ধরে এখানে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। প্রতিবছরই প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, নানা আয়োজন ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও প্রতিবছর শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার পুরস্কার অন্য মণ্ডপে চলে যাওয়ায় তাঁদের আক্ষেপ রয়েছে। এবার প্রতিমার সৌন্দর্য, কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করে যোগ্য মণ্ডপকে পুরস্কৃত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মাধবপুর সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার হালদার বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় নান্দনিকতা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিমার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে এবার মাধবপুর শ্রেষ্ঠ দুর্গাপ্রতিমার পুরস্কার পাবে বলে তাঁরা আশাবাদী।

উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক গোবিন্দ কুমার রায় বলেন, মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমার কারুকার্য ও মণ্ডপের সাজসজ্জায় সৌন্দর্যের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে মাধবপুরের পূজামণ্ডপকে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

স্থানীয় গ্রামবাসী ও পূজা আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিমার সৌন্দর্য, নিখুঁত কারুকার্য এবং মণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জার যথাযথ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে এবার মাধবপুরের দুর্গাপ্রতিমা শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি অর্জন করবে।