যশোর প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক এক কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল হাসান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ এবং তৎকালীন রেজিস্ট্রার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক তাওহিদুল ইসলাম মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি, নিয়োগ নীতিমালা এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ এবং তৎকালীন রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নিয়ে দুর্নীতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে ওই পদে নিয়োগ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ পাওয়ার পর ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে ৫৫ লাখ ১২ হাজার ৭৯৩ টাকা উত্তোলন করেছেন ড. মো. মাহমুদুল হাসান।
দুদকের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে আসামিদের দায় নির্ধারিত হবে।




















