১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

পানামায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প, ৭.৭ মাত্রার কম্পনের পর আবারও ৬ মাত্রার আঘাত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) নতুন এই কম্পন অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি)। ধারাবাহিক ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।

এর আগে, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর থেকে দেশটিতে ৩০০টিরও বেশি পরবর্তী কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। একের পর এক ভূকম্পনে বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে পানামা সরকার।

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৯০০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জরুরি উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস সান্তোস, কোকলে, ভেরাগুয়াস ও হেরেরা প্রদেশ।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কার্যক্রম এখনো চলছে। দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে সমস্যা হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে আরও সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ধারাবাহিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি উদ্ধারকাজ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট দলগুলো।

সর্বাধিক পঠিত

কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের এআরও গোলাম হাসনাইনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

পানামায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প, ৭.৭ মাত্রার কম্পনের পর আবারও ৬ মাত্রার আঘাত

আপডেট: ১০:০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) নতুন এই কম্পন অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি)। ধারাবাহিক ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।

এর আগে, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর থেকে দেশটিতে ৩০০টিরও বেশি পরবর্তী কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। একের পর এক ভূকম্পনে বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে পানামা সরকার।

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৯০০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জরুরি উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস সান্তোস, কোকলে, ভেরাগুয়াস ও হেরেরা প্রদেশ।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কার্যক্রম এখনো চলছে। দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে সমস্যা হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে আরও সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ধারাবাহিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি উদ্ধারকাজ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট দলগুলো।