রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকার একটি গুদাম থেকে ১০২ বস্তা অবৈধ ভারতীয় কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। কাপড়গুলো বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেড থেকে শুল্ক পরিশোধ না করে বের করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ওয়াইজঘাট এলাকার সামাদ প্লাজায় অভিযান চালিয়ে এসব কাপড় জব্দ করে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. সাইফুর রহমান (৩৭), মো. সংগ্রাম হোসেন (৩০) ও মো. বাবু (৩৭)। তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সামাদ প্লাজার নিচতলার একটি গুদামে অবৈধভাবে ভারতীয় কাপড় মজুত রাখা হয়েছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১০২ বস্তা কাপড় জব্দ করা হয়। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আটক ব্যক্তিরা অবৈধভাবে ভারতীয় কাপড় সংগ্রহ, মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে জব্দ করা কাপড়ের উৎস এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের এআরও আরমান ও স্টোর ইনচার্জের সহযোগিতায় বন্দর থেকে শুল্ক পরিশোধ না করে এসব কাপড় বের করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা বিপুল পরিমাণ কাপড় জব্দ করা হয়েছে। এ সময় তিনজনকে আটক করা হয়। চোরাচালারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”




















