জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলেই বের হবে, বাসে ককটেল মারছে কারা।’ দেশকে অস্থিতিশীল করতে জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে বাস-ট্রেনে আগুন ও ককটেল হামলা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জামায়াত-এনসিপি ‘হঠকারী বিরোধী দল’ এবং আওয়ামী লীগ ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী দল’—এই দুই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ১১ দলীয় জোট আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মসূচি স্বাভাবিক নয়।
জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চলছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করেই সরকার জ্বালানির দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। সরকারের উদ্যোগে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে ঘিরে আওয়ামী লীগ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।





















