০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোভিড প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা, আত্মসাতের অভিযোগ ১২ কোটি টাকা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রকল্পে চিকিৎসা ও সুরক্ষাসামগ্রী এবং বিভিন্ন সেবা কেনাকাটায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুদকের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খান এসব মামলা দায়েরের তথ্য জানান। দুদকের অনুসন্ধানে কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের তথ্য পাওয়ার পর পৃথক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলাগুলো করা হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ছয়টি মামলায় সরকারি অর্থের মোট ১২ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে এসব অর্থ অনিয়ম, অতিরিক্ত পরিশোধ, পণ্য বা সেবা সরবরাহে অনিয়ম এবং পারস্পরিক যোগসাজশের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রথম মামলায় ইআরপিপি প্রকল্পের প্যাকেজ জিডি-০১-এর আওতায় কেএন৯৫, এন৯৫ মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস কেনায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

এই মামলায় জাহিদ মালেক ছাড়াও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় প্যাকেজ জিডি-১৩-এর আওতায় পাঁচ ও তিন ফাংশনের বৈদ্যুতিক হাসপাতাল বেড কেনায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আসামি করা হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় প্যাকেজ জিডি-০৫-এর আওতায় কেএন৯৫ মাস্ক কেনায় ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগসাজশ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি অর্থের ক্ষতি করা হয়েছে।

চতুর্থ মামলায় প্যাকেজ এসডি-০২-এর আওতায় জনসচেতনতা, শিক্ষা, ঝুঁকি যোগাযোগ ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে টেলিভিশন বিজ্ঞাপন বা টিভিসি প্রচারের জন্য সেবা কেনার বিষয়টি রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, নির্ধারিত টিভিসি প্রচার না করেই ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ ও গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট তিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের একজনকে আসামি করা হয়েছে।

পঞ্চম মামলায় প্যাকেজ জিডি-০৮-এর আওতায় হ্যান্ডহেল্ড থার্মোমিটার, কেএন৯৫ মাস্কসহ বিভিন্ন চিকিৎসা ও সার্জিক্যাল সামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা ৫০ পয়সা অতিরিক্ত পরিশোধ ও গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আসামি করা হয়েছে।

ষষ্ঠ মামলায় প্যাকেজ এসডি-০১-এর আওতায় ‘করোনাবিড মোবাইল অ্যাপ’ এবং ‘ন্যাশনাল করোনা কেয়ার সিস্টেম সেন্ট্রাল ওয়েব-অ্যাপ্লিকেশন’ সেবা কেনার ক্ষেত্রে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ ও গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আসামি করা হয়েছে।

ছয়টি মামলায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও ইআরপিপি প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক অসদাচরণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

মামলাগুলোতে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তাদের অনুসন্ধান থেকে পাওয়া তথ্য ও পৃথক ছয়টি অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাগুলো করা হয়েছে।

দুদকের মামলায় যেসব অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা এখনো আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হয়নি। মামলা ও তদন্তের পরবর্তী ধাপে নথিপত্র, ক্রয়প্রক্রিয়া, সরবরাহ, বিল পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর আইনি নিষ্পত্তি হবে।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসামগ্রী ও বিভিন্ন সেবা কেনার এই প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে একসঙ্গে ছয়টি মামলা দায়ের হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সর্বাধিক পঠিত

নড়াইলে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণা চক্রের মূল হোতাসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

কোভিড প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা, আত্মসাতের অভিযোগ ১২ কোটি টাকা

আপডেট: ০৫:৩৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রকল্পে চিকিৎসা ও সুরক্ষাসামগ্রী এবং বিভিন্ন সেবা কেনাকাটায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুদকের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খান এসব মামলা দায়েরের তথ্য জানান। দুদকের অনুসন্ধানে কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের তথ্য পাওয়ার পর পৃথক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলাগুলো করা হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ছয়টি মামলায় সরকারি অর্থের মোট ১২ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে এসব অর্থ অনিয়ম, অতিরিক্ত পরিশোধ, পণ্য বা সেবা সরবরাহে অনিয়ম এবং পারস্পরিক যোগসাজশের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রথম মামলায় ইআরপিপি প্রকল্পের প্যাকেজ জিডি-০১-এর আওতায় কেএন৯৫, এন৯৫ মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস কেনায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

এই মামলায় জাহিদ মালেক ছাড়াও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় প্যাকেজ জিডি-১৩-এর আওতায় পাঁচ ও তিন ফাংশনের বৈদ্যুতিক হাসপাতাল বেড কেনায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আসামি করা হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় প্যাকেজ জিডি-০৫-এর আওতায় কেএন৯৫ মাস্ক কেনায় ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগসাজশ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি অর্থের ক্ষতি করা হয়েছে।

চতুর্থ মামলায় প্যাকেজ এসডি-০২-এর আওতায় জনসচেতনতা, শিক্ষা, ঝুঁকি যোগাযোগ ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে টেলিভিশন বিজ্ঞাপন বা টিভিসি প্রচারের জন্য সেবা কেনার বিষয়টি রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, নির্ধারিত টিভিসি প্রচার না করেই ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ ও গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট তিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের একজনকে আসামি করা হয়েছে।

পঞ্চম মামলায় প্যাকেজ জিডি-০৮-এর আওতায় হ্যান্ডহেল্ড থার্মোমিটার, কেএন৯৫ মাস্কসহ বিভিন্ন চিকিৎসা ও সার্জিক্যাল সামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা ৫০ পয়সা অতিরিক্ত পরিশোধ ও গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আসামি করা হয়েছে।

ষষ্ঠ মামলায় প্যাকেজ এসডি-০১-এর আওতায় ‘করোনাবিড মোবাইল অ্যাপ’ এবং ‘ন্যাশনাল করোনা কেয়ার সিস্টেম সেন্ট্রাল ওয়েব-অ্যাপ্লিকেশন’ সেবা কেনার ক্ষেত্রে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ ও গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

এ মামলায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের আসামি করা হয়েছে।

ছয়টি মামলায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও ইআরপিপি প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক অসদাচরণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

মামলাগুলোতে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তাদের অনুসন্ধান থেকে পাওয়া তথ্য ও পৃথক ছয়টি অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাগুলো করা হয়েছে।

দুদকের মামলায় যেসব অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা এখনো আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হয়নি। মামলা ও তদন্তের পরবর্তী ধাপে নথিপত্র, ক্রয়প্রক্রিয়া, সরবরাহ, বিল পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর আইনি নিষ্পত্তি হবে।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসামগ্রী ও বিভিন্ন সেবা কেনার এই প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে একসঙ্গে ছয়টি মামলা দায়ের হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।