১২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজে ‘ভূতুড়ে’ শিক্ষকের নামে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কলেজটির অধ্যক্ষ আবু নাসির ও এডহক কমিটির সভাপতি ইউসুফ হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি অনুদানের বেতন-ভাতা উত্তোলন, কলেজের ফান্ডে অনিয়ম এবং গোপনে গভর্নিং বডি গঠনের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয় সচেতন মহলের একাংশ।

অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো বাংলা বিভাগে আরলিজা খাতুন নামে এক শিক্ষকের নিয়োগ। অভিযোগকারীদের দাবি, বিপুল অর্থের বিনিময়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং কাগজপত্রে তার নামে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হলেও তিনি নিয়মিত কলেজে উপস্থিত থাকেন না। এমনকি অনেক শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর দাবি, তারা আরলিজা খাতুনকে কলেজে শ্রেণিকক্ষে বা নিয়মিত কার্যক্রমে দেখেননি।

তবে আরলিজা খাতুন তাঁর নিয়োগ বৈধ বলে দাবি করেছেন। কলেজে অনুপস্থিতি ও নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, আরলিজা খাতুনের নামে কাগজপত্রে নিয়োগ দেখিয়ে সরকারি অনুদানের বেতন-ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করা হচ্ছে। অথচ তিনি কলেজে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। তাঁর নাম হাজিরা খাতায় রয়েছে কি না এবং সেখানে নিয়মিত স্বাক্ষর করা হয়েছে কি না—এসব বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, প্রায় ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে আরলিজা খাতুনকে বাংলা বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এই অর্থ লেনদেনের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ আবু নাসির ২০১১ সালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কলেজের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে আগের প্রভাব ও অনিয়মের ধারা বন্ধ হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় কথিত অনিয়মের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ ও সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে।

কলেজে দীর্ঘ সময়েও পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সুযোগে শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্ধকারে রেখে নির্বাচন ছাড়াই নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে গভর্নিং বডি গঠনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশাসনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

কলেজের গত ২১ মাসের অভ্যন্তরীণ অডিট প্রতিবেদনে প্রায় ২০ লাখ টাকা তছরুপের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে অডিট প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ কপি এবং সেখানে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

এসব অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর গত ৩ আগস্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি কলেজে সরেজমিন তদন্ত করে।

তদন্ত শেষে কমিটির প্রধান উপস্থিত সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৫ শতাংশ অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানান, প্রতিবেদনটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তবে তদন্ত প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ কপি অভিযোগকারীদের হাতে না আসায় এবং প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক অভিযোগ করেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্বের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা হতে পারে। তাঁর দাবি, অনিয়মের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবেদন প্রকাশ না হলে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন করে কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থনৈতিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

সচেতন এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও বৈধ গভর্নিং বডি গঠনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অধ্যক্ষ আবু নাসির, এডহক কমিটির সভাপতি ইউসুফ হাসান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথিপত্র যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বাধিক পঠিত

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের প্রকাশ্য অনুসন্ধানের অনুমোদন

নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজে ‘ভূতুড়ে’ শিক্ষকের নামে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ

আপডেট: ১১:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কলেজটির অধ্যক্ষ আবু নাসির ও এডহক কমিটির সভাপতি ইউসুফ হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি অনুদানের বেতন-ভাতা উত্তোলন, কলেজের ফান্ডে অনিয়ম এবং গোপনে গভর্নিং বডি গঠনের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয় সচেতন মহলের একাংশ।

অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো বাংলা বিভাগে আরলিজা খাতুন নামে এক শিক্ষকের নিয়োগ। অভিযোগকারীদের দাবি, বিপুল অর্থের বিনিময়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং কাগজপত্রে তার নামে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হলেও তিনি নিয়মিত কলেজে উপস্থিত থাকেন না। এমনকি অনেক শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর দাবি, তারা আরলিজা খাতুনকে কলেজে শ্রেণিকক্ষে বা নিয়মিত কার্যক্রমে দেখেননি।

তবে আরলিজা খাতুন তাঁর নিয়োগ বৈধ বলে দাবি করেছেন। কলেজে অনুপস্থিতি ও নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, আরলিজা খাতুনের নামে কাগজপত্রে নিয়োগ দেখিয়ে সরকারি অনুদানের বেতন-ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করা হচ্ছে। অথচ তিনি কলেজে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। তাঁর নাম হাজিরা খাতায় রয়েছে কি না এবং সেখানে নিয়মিত স্বাক্ষর করা হয়েছে কি না—এসব বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, প্রায় ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে আরলিজা খাতুনকে বাংলা বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এই অর্থ লেনদেনের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ আবু নাসির ২০১১ সালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কলেজের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে আগের প্রভাব ও অনিয়মের ধারা বন্ধ হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় কথিত অনিয়মের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ ও সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে।

কলেজে দীর্ঘ সময়েও পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সুযোগে শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্ধকারে রেখে নির্বাচন ছাড়াই নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে গভর্নিং বডি গঠনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশাসনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

কলেজের গত ২১ মাসের অভ্যন্তরীণ অডিট প্রতিবেদনে প্রায় ২০ লাখ টাকা তছরুপের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে অডিট প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ কপি এবং সেখানে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

এসব অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর গত ৩ আগস্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি কলেজে সরেজমিন তদন্ত করে।

তদন্ত শেষে কমিটির প্রধান উপস্থিত সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৫ শতাংশ অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির এক সদস্য জানান, প্রতিবেদনটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তবে তদন্ত প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ কপি অভিযোগকারীদের হাতে না আসায় এবং প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক অভিযোগ করেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্বের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা হতে পারে। তাঁর দাবি, অনিয়মের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবেদন প্রকাশ না হলে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন করে কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থনৈতিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

সচেতন এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও বৈধ গভর্নিং বডি গঠনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অধ্যক্ষ আবু নাসির, এডহক কমিটির সভাপতি ইউসুফ হাসান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথিপত্র যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।