১২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, মৃত ৪৬৯; নিখোঁজ প্রায় ১,৫০০

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৯

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে নদীর তীর ও ভাটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার সকালে নেপালের রাসুওয়া ও আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে। প্রবল পানির স্রোতের সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ ভেসে এসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে এই স্রোত ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদীতে গিয়ে পড়লে ভাটির বিস্তীর্ণ এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

বন্যায় উত্তর ও মধ্য নেপালের বিভিন্ন এলাকার ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জনপদ ও পর্যটন এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি নদীর তীর ও ভাটির বিভিন্ন জনপদে নিখোঁজদের সন্ধান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

এ দুর্যোগে পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের একটি বড় অংশও নিখোঁজ রয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ পর্যটক ও ভ্রমণকারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে ১২৭ জন নেপালি নাগরিক।

রাসুওয়া, নুওয়াকোট ও ধাদিং এলাকায় অবস্থানরত ও যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্তে পর্যটন বোর্ড, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পর্যটন পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।

নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। এ পর্যন্ত ৩১ বিদেশি নাগরিককে দুর্গত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ভারতীয়, দক্ষিণ কোরীয়, মার্কিন, রুশ, ইতালীয়, বুলগেরীয় ও সুইস নাগরিক রয়েছেন।

বন্যায় সড়ক ও সেতু ভেসে যাওয়ায় দুর্গত এলাকায় পৌঁছানো এবং উদ্ধারকাজ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া নিহত ও নিখোঁজের তথ্য সমন্বয় করছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট ও আল জাজিরা

সর্বাধিক পঠিত

জামায়াত ১৬ বছর আওয়ামী লীগের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল’: রাশেদ খাঁন

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, মৃত ৪৬৯; নিখোঁজ প্রায় ১,৫০০

আপডেট: ১১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে নদীর তীর ও ভাটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার সকালে নেপালের রাসুওয়া ও আশপাশের এলাকায় আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে। প্রবল পানির স্রোতের সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ ভেসে এসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে এই স্রোত ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদীতে গিয়ে পড়লে ভাটির বিস্তীর্ণ এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

বন্যায় উত্তর ও মধ্য নেপালের বিভিন্ন এলাকার ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জনপদ ও পর্যটন এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি নদীর তীর ও ভাটির বিভিন্ন জনপদে নিখোঁজদের সন্ধান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

এ দুর্যোগে পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের একটি বড় অংশও নিখোঁজ রয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ পর্যটক ও ভ্রমণকারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে ১২৭ জন নেপালি নাগরিক।

রাসুওয়া, নুওয়াকোট ও ধাদিং এলাকায় অবস্থানরত ও যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্তে পর্যটন বোর্ড, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পর্যটন পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।

নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। এ পর্যন্ত ৩১ বিদেশি নাগরিককে দুর্গত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ভারতীয়, দক্ষিণ কোরীয়, মার্কিন, রুশ, ইতালীয়, বুলগেরীয় ও সুইস নাগরিক রয়েছেন।

বন্যায় সড়ক ও সেতু ভেসে যাওয়ায় দুর্গত এলাকায় পৌঁছানো এবং উদ্ধারকাজ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া নিহত ও নিখোঁজের তথ্য সমন্বয় করছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট ও আল জাজিরা