১১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে ‘পেরেক আল আমিন’ হত্যা: ‘ব্ল্যাক আলামিন’ আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

যশোরে আলোচিত স্বর্ণকার আল আমিন হোসেন ওরফে ‘পেরেক আল আমিন’ হত্যা মামলায় আলামিন ওরফে ‘ব্ল্যাক আলামিন’ নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে শুক্রবার রাতে শহরের মনিহার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক আলামিন যশোর শহরের সিটি কলেজপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে শনিবার পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক আলামিনের বিরুদ্ধে এর আগে সাতটি মামলা চলমান রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত আল আমিন হোসেন পেশায় একজন স্বর্ণের কারিগর ছিলেন। যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টিতে তার একটি দোকান রয়েছে।

গত ২০ আগস্ট প্রতিদিনের মতো সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন আল আমিন। দোকানে অবস্থানকালে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে তাকে জানানো হয়, একজন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।

ওই ফোন পাওয়ার পর দোকান থেকে বের হয়ে যান আল আমিন। এরপর তিনি আর দোকানে ফিরে আসেননি।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মা আয়শা বেগম জানতে পারেন, দুর্বৃত্তরা আল আমিনকে হত্যা করে শহরের বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় ফেলে রেখে গেছে।

খবর পেয়ে আয়শা বেগম লিচুতলা মাদরাসার পেছনে বাবুর মেহগনি বাগানে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের মা আয়শা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে র‌্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা ‘ব্ল্যাক আলামিন’কে আটক করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা এবং ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর হত্যার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

পাঁচ বছর সঙ্গে থাকলে জীবন বদলে যাবে’—গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের বিস্ফোরক অভিযোগ

যশোরে ‘পেরেক আল আমিন’ হত্যা: ‘ব্ল্যাক আলামিন’ আটক

আপডেট: ১০:০০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে আলোচিত স্বর্ণকার আল আমিন হোসেন ওরফে ‘পেরেক আল আমিন’ হত্যা মামলায় আলামিন ওরফে ‘ব্ল্যাক আলামিন’ নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে শুক্রবার রাতে শহরের মনিহার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক আলামিন যশোর শহরের সিটি কলেজপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে শনিবার পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক আলামিনের বিরুদ্ধে এর আগে সাতটি মামলা চলমান রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত আল আমিন হোসেন পেশায় একজন স্বর্ণের কারিগর ছিলেন। যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টিতে তার একটি দোকান রয়েছে।

গত ২০ আগস্ট প্রতিদিনের মতো সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন আল আমিন। দোকানে অবস্থানকালে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে তাকে জানানো হয়, একজন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।

ওই ফোন পাওয়ার পর দোকান থেকে বের হয়ে যান আল আমিন। এরপর তিনি আর দোকানে ফিরে আসেননি।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মা আয়শা বেগম জানতে পারেন, দুর্বৃত্তরা আল আমিনকে হত্যা করে শহরের বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় ফেলে রেখে গেছে।

খবর পেয়ে আয়শা বেগম লিচুতলা মাদরাসার পেছনে বাবুর মেহগনি বাগানে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের মা আয়শা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে র‌্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা ‘ব্ল্যাক আলামিন’কে আটক করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা এবং ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর হত্যার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।