০৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ লাঘবে মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে ট্রেনের স্টপেজ চায় যবিপ্রবি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৪

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের নির্দেশে রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে চিঠিটির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক কাজসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে নিয়মিত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় তাদের প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হয়।

এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ধরতে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উল্লেখ করেছে, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু করা হলে যবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনটি যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নে অবস্থিত এবং এটি যবিপ্রবির সবচেয়ে কাছের রেলস্টেশন। তবে দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনটি অনেকটা অচল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সেখানে একটি মেইল ট্রেন ছাড়া কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের নিয়মিত স্টপেজ নেই।

যবিপ্রবি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সংখ্যা বিবেচনায় মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালু করা সময়ের দাবি। এতে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরাই নন, আশপাশের এলাকার সাধারণ যাত্রীরাও উপকৃত হবেন।

দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যবিপ্রবি প্রশাসন।

সর্বাধিক পঠিত

সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ লাঘবে মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে ট্রেনের স্টপেজ চায় যবিপ্রবি

সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ লাঘবে মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে ট্রেনের স্টপেজ চায় যবিপ্রবি

আপডেট: ০৪:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের নির্দেশে রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে চিঠিটির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক কাজসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে নিয়মিত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় তাদের প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হয়।

এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ধরতে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উল্লেখ করেছে, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু করা হলে যবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনটি যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নে অবস্থিত এবং এটি যবিপ্রবির সবচেয়ে কাছের রেলস্টেশন। তবে দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনটি অনেকটা অচল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সেখানে একটি মেইল ট্রেন ছাড়া কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের নিয়মিত স্টপেজ নেই।

যবিপ্রবি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সংখ্যা বিবেচনায় মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালু করা সময়ের দাবি। এতে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরাই নন, আশপাশের এলাকার সাধারণ যাত্রীরাও উপকৃত হবেন।

দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যবিপ্রবি প্রশাসন।