১০:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়ের মানসিকতা নিয়ে বহুদূর যেতে চায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল এডাম আব্বাস

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫২১

শামসুল হুদা ফুটবল একাডেমিতে আবাসিক ক্যাম্পের অনুশীলন শেষে আত্মবিশ্বাস ও জয়ের মানসিকতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দল।

রোববার দুপুর ১২টায় একাডেমি মাঠে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে দলের প্রস্তুতি, খেলোয়াড়দের মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্স এবং দলের নতুন মুখ এডাম আব্বাস।

কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্স বলেন, দীর্ঘ সময়ের অনুশীলনের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের সক্ষমতা ও মান গভীরভাবে মূল্যায়নের সুযোগ হয়েছে। শুধু আসন্ন প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে নয়, ভবিষ্যতে অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলটি চারটির বেশি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। এসব ম্যাচ খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা, কৌশলগত অবস্থান, দলীয় সমন্বয় এবং চাপের মধ্যে খেলার অভিজ্ঞতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কোচ বলেন, যেকোনো ধরনের মাঠ বা পিচে স্ট্যামিনা ও ভারসাম্য ধরে রেখে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলাই দলের লক্ষ্য। প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনার জন্য খেলোয়াড়দের প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলে নতুন যুক্ত হওয়া ১৯ বছর বয়সী প্রবাসী ফুটবলার এডাম আব্বাসকে নিয়েও আশাবাদী কোচ।

জেরার্ড এমলিন জোন্স বলেন, এডাম অত্যন্ত পেশাদার, নম্র এবং শেখার মানসিকতাসম্পন্ন একজন খেলোয়াড়। তাকে ভবিষ্যতে আরও দক্ষ গোলদাতা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এডাম এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বার্নলির যুব পর্যায়ে খেলেছেন। রাইট উইঙ্গার হিসেবে খেলতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী সেন্টার ফরোয়ার্ড বা ‘নাম্বার নাইন’ হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি।

বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এডাম আব্বাস বলেন, দেশের হয়ে খেলতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয়। হামজা চৌধুরী ও ইয়াসিন আলফির মতো তরুণ ফুটবলারদের জাতীয় দলের হয়ে খেলা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি বলেন, আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপসহ আন্তর্জাতিক বড় মঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করাই তার লক্ষ্য। দলীয় ঐক্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল অর্জন করতে চান তিনি।

আবাসিক ক্যাম্পের প্রস্তুতি শেষে কোচ ও খেলোয়াড়দের বক্তব্যে স্পষ্ট—আসন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শুধু অংশ নেওয়া নয়, বরং আত্মবিশ্বাস, দলীয় ঐক্য ও জয়ের মানসিকতা নিয়ে বহুদূর এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দল।

সর্বাধিক পঠিত

ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল বর্ডার দিয়ে দেশে ফিরলেন ৯ বাংলাদেশি

জয়ের মানসিকতা নিয়ে বহুদূর যেতে চায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল এডাম আব্বাস

আপডেট: ০৭:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

শামসুল হুদা ফুটবল একাডেমিতে আবাসিক ক্যাম্পের অনুশীলন শেষে আত্মবিশ্বাস ও জয়ের মানসিকতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দল।

রোববার দুপুর ১২টায় একাডেমি মাঠে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে দলের প্রস্তুতি, খেলোয়াড়দের মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্স এবং দলের নতুন মুখ এডাম আব্বাস।

কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্স বলেন, দীর্ঘ সময়ের অনুশীলনের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের সক্ষমতা ও মান গভীরভাবে মূল্যায়নের সুযোগ হয়েছে। শুধু আসন্ন প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে নয়, ভবিষ্যতে অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দলটি চারটির বেশি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। এসব ম্যাচ খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা, কৌশলগত অবস্থান, দলীয় সমন্বয় এবং চাপের মধ্যে খেলার অভিজ্ঞতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কোচ বলেন, যেকোনো ধরনের মাঠ বা পিচে স্ট্যামিনা ও ভারসাম্য ধরে রেখে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলাই দলের লক্ষ্য। প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনার জন্য খেলোয়াড়দের প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলে নতুন যুক্ত হওয়া ১৯ বছর বয়সী প্রবাসী ফুটবলার এডাম আব্বাসকে নিয়েও আশাবাদী কোচ।

জেরার্ড এমলিন জোন্স বলেন, এডাম অত্যন্ত পেশাদার, নম্র এবং শেখার মানসিকতাসম্পন্ন একজন খেলোয়াড়। তাকে ভবিষ্যতে আরও দক্ষ গোলদাতা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এডাম এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বার্নলির যুব পর্যায়ে খেলেছেন। রাইট উইঙ্গার হিসেবে খেলতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী সেন্টার ফরোয়ার্ড বা ‘নাম্বার নাইন’ হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি।

বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এডাম আব্বাস বলেন, দেশের হয়ে খেলতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয়। হামজা চৌধুরী ও ইয়াসিন আলফির মতো তরুণ ফুটবলারদের জাতীয় দলের হয়ে খেলা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি বলেন, আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপসহ আন্তর্জাতিক বড় মঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করাই তার লক্ষ্য। দলীয় ঐক্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল অর্জন করতে চান তিনি।

আবাসিক ক্যাম্পের প্রস্তুতি শেষে কোচ ও খেলোয়াড়দের বক্তব্যে স্পষ্ট—আসন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শুধু অংশ নেওয়া নয়, বরং আত্মবিশ্বাস, দলীয় ঐক্য ও জয়ের মানসিকতা নিয়ে বহুদূর এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দল।