০৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কয়রায় বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৭

: খুলনার কয়রায় বিয়ের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে মো. খালিদ হাসান (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খালিদ হাসান কয়রা সদর ইউনিয়নের কয়রা গ্রামের মো. রহিম সরদারের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১৭ দিন আগে গোবরা গ্রামের তৈয়ব আলীর মেয়ে সানজিদা খাতুনের সঙ্গে খালিদের বিয়ে হয়। ঘটনার রাতে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে খালিদের স্ত্রী ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তিনি খালিদকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

খবর পেয়ে কয়রা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

কী কারণে খালিদ হাসান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কি না, নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাশেদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

কয়রায় বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কয়রায় বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ০৩:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

: খুলনার কয়রায় বিয়ের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে মো. খালিদ হাসান (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খালিদ হাসান কয়রা সদর ইউনিয়নের কয়রা গ্রামের মো. রহিম সরদারের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১৭ দিন আগে গোবরা গ্রামের তৈয়ব আলীর মেয়ে সানজিদা খাতুনের সঙ্গে খালিদের বিয়ে হয়। ঘটনার রাতে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে খালিদের স্ত্রী ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তিনি খালিদকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

খবর পেয়ে কয়রা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

কী কারণে খালিদ হাসান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কি না, নাকি ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাশেদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।