১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

পূর্বের অভিযোগের মধ্যেই যুগ্ম কমিশনার পদে পদোন্নতি, ওএসডি কাজিয়া সুলতানাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা কাজিয়া সুলতানা (পরিচিতি নম্বর: ৩০০২৮৫) সম্প্রতি যুগ্ম কমিশনার (গ্রেড-৫) পদে পদোন্নতি এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়নকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তার ও তার স্বামী শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা মহিউদ্দীন আহমেদ মুরাদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।

অনুসন্ধানী তথ্যে দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর আফতাবনগর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, উত্তরা ও উত্তর বাড্ডাসহ বিভিন্ন স্থানে তাদের নামে বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক স্পেস এবং অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) কর্মরত অবস্থায় কাজিয়া সুলতানা দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, ফাইল নিষ্পত্তি এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে। আইসিডি কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এতসব অভিযোগের মধ্যেই গত ২২ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের যুগ্ম কমিশনার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ওএসডি হিসেবে পদায়ন করা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কাজিয়া সুলতানা ও তার স্বামী মহিউদ্দীন আহমেদ মুরাদের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমেই অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব।

সর্বাধিক পঠিত

জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

পূর্বের অভিযোগের মধ্যেই যুগ্ম কমিশনার পদে পদোন্নতি, ওএসডি কাজিয়া সুলতানাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

আপডেট: ১০:৩১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা কাজিয়া সুলতানা (পরিচিতি নম্বর: ৩০০২৮৫) সম্প্রতি যুগ্ম কমিশনার (গ্রেড-৫) পদে পদোন্নতি এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়নকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তার ও তার স্বামী শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা মহিউদ্দীন আহমেদ মুরাদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।

অনুসন্ধানী তথ্যে দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর আফতাবনগর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, উত্তরা ও উত্তর বাড্ডাসহ বিভিন্ন স্থানে তাদের নামে বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক স্পেস এবং অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) কর্মরত অবস্থায় কাজিয়া সুলতানা দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, ফাইল নিষ্পত্তি এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে। আইসিডি কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এতসব অভিযোগের মধ্যেই গত ২২ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের যুগ্ম কমিশনার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ওএসডি হিসেবে পদায়ন করা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কাজিয়া সুলতানা ও তার স্বামী মহিউদ্দীন আহমেদ মুরাদের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমেই অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব।