০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

শাহজালালে মিথ্যা ঘোষণায় আনা কোটি টাকার ১০১ কার্টন নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৯

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ১০১ কার্টন নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এনবিআর জানায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদর দপ্তর এবং এয়ারফ্রেইট সার্কেলের যৌথ দল বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকার ৮ নম্বর ডেলিভারি গেটসংলগ্ন ইয়ার্ডে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এয়ার ওয়েবিল নম্বর ১৭৬-৬৩৫১৮৭২২-এর মাধ্যমে চালানটি দেশে আনা হয়। আমদানি সংক্রান্ত কাগজপত্রে মোটর পার্টস, কসমেটিক্স, মিনি পিসি, ট্যাবলেট, প্রজেক্টর ও কম্পিউটার পার্টসকে প্রদেয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

চালানটি খালাসের জন্য আমদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট গত ২৯ জুলাই কাস্টমসের ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে’ বিল অব এন্ট্রি (নম্বর সি-৭৬৪১৭৭) দাখিল করে। পরে কাস্টমস গোয়েন্দা দল চালানটি আটকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে।

পরীক্ষার সময় ১০১টি কার্টন থেকে ৪৫০ পিস ব্যবহৃত ল্যাপটপ—যার মধ্যে এইচপি, ডেল, লেনোভো ও মাইক্রোসফট ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ রয়েছে—৯৬৩ দশমিক ৮ কেজি অটোমোবাইল পার্টস, ৯৬ পিস হার্ডড্রাইভ, ২৯১ দশমিক ১৪ কেজি কসমেটিক্স, ৯৬ পিস ব্যবহৃত মিনি পিসি, হাতঘড়িসহ বিভিন্ন ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা পণ্যগুলোর একটি অংশ আমদানি নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত শ্রেণির। ফলে শুল্ক-কর পরিশোধ করেও এসব পণ্য খালাসের আইনগত সুযোগ নেই। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও শর্ত পূরণ ছাড়া আমদানি করা নিম্নমানের কসমেটিক্স জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া পুরোনো ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নতুন পণ্য হিসেবে বাজারজাত করে ভোক্তাদের প্রতারিত করার পাশাপাশি এসব পণ্যের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চালানটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোর হাসপাতালে ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি করে পালানোর সময় হাতেনাতে আটক

শাহজালালে মিথ্যা ঘোষণায় আনা কোটি টাকার ১০১ কার্টন নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ

আপডেট: ১০:৫৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ১০১ কার্টন নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এনবিআর জানায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদর দপ্তর এবং এয়ারফ্রেইট সার্কেলের যৌথ দল বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকার ৮ নম্বর ডেলিভারি গেটসংলগ্ন ইয়ার্ডে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এয়ার ওয়েবিল নম্বর ১৭৬-৬৩৫১৮৭২২-এর মাধ্যমে চালানটি দেশে আনা হয়। আমদানি সংক্রান্ত কাগজপত্রে মোটর পার্টস, কসমেটিক্স, মিনি পিসি, ট্যাবলেট, প্রজেক্টর ও কম্পিউটার পার্টসকে প্রদেয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

চালানটি খালাসের জন্য আমদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট গত ২৯ জুলাই কাস্টমসের ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে’ বিল অব এন্ট্রি (নম্বর সি-৭৬৪১৭৭) দাখিল করে। পরে কাস্টমস গোয়েন্দা দল চালানটি আটকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে।

পরীক্ষার সময় ১০১টি কার্টন থেকে ৪৫০ পিস ব্যবহৃত ল্যাপটপ—যার মধ্যে এইচপি, ডেল, লেনোভো ও মাইক্রোসফট ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ রয়েছে—৯৬৩ দশমিক ৮ কেজি অটোমোবাইল পার্টস, ৯৬ পিস হার্ডড্রাইভ, ২৯১ দশমিক ১৪ কেজি কসমেটিক্স, ৯৬ পিস ব্যবহৃত মিনি পিসি, হাতঘড়িসহ বিভিন্ন ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা পণ্যগুলোর একটি অংশ আমদানি নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত শ্রেণির। ফলে শুল্ক-কর পরিশোধ করেও এসব পণ্য খালাসের আইনগত সুযোগ নেই। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও শর্ত পূরণ ছাড়া আমদানি করা নিম্নমানের কসমেটিক্স জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া পুরোনো ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নতুন পণ্য হিসেবে বাজারজাত করে ভোক্তাদের প্রতারিত করার পাশাপাশি এসব পণ্যের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চালানটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।