পটুয়াখালীতে এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলাটি এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গণ্য করে আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্র থেকে জানা যায়:
: প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি তাঁর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে আসেন। সেখানে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম তাঁকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে শহিদুল তাঁকে বিয়ের আশ্বাস প্রদান করেন।: চলতি বছরের ২৪ মার্চ অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ওই নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে পটুয়াখালী শহরের শেরে বাংলা সড়কে তাঁর বোনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে তাঁকে আটকে রেখে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।: পরবর্তীতে সামাজিক ভয়ভীতি ও হুমকিস্বরূপ একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হন ওই নারী। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে বিচার পেতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।
ওই নারীকে বিয়ের কথা বলে শহরে নিয়ে আসা হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার দায়েরপূর্বক আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।”
“যেহেতু মো. শহিদুলের নামে আদালতে মামলা হয়েছে, তাই এ বিষয়ে আমাদের আগাম মন্তব্য করা ঠিক হবে না। আদালতই সত্য-মিথ্যা যাচাই করবেন। বিচারে যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে দলীয় ফোরাম থেকে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আমরা আদালতের নির্দেশের কপি এখনও হাতে পাইনি। কপি হাতে পাওয়ামাত্রই আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




















