১১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝিকরগাছায় প্রাইভেটকারের গোপন বক্সে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ বেনাপোলের ২ কারবারি গ্রেপ্তার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ৫৭১

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা উপজেলায় একটি প্রাইভেটকারে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার বেনেয়ালী বাজার এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, যশোর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের দিকে বেনাপোল থেকে একটি মাদকের বড় চালান যশোরের দিকে যাচ্ছে— এমন একটি গোপন সংবাদ পান তারা। এই সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে বেনেয়ালী বাজার এলাকায় যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে সন্দেহভাজন একটি সিলভার রঙের টয়োটা এক্স করোলা (Toyota X Corolla) মডেলের প্রাইভেটকারকে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়। পরে গাড়িটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশিকালে সেটির ড্যাশবোর্ড এবং রানিং বোর্ডে নিখুঁত ও বিশেষভাবে তৈরি করা গোপন বক্সের সন্ধান মেলে। সেই বক্সের ভেতর থেকে একে একে ১০ হাজার পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন ডিএনসি কর্মকর্তারা।

গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তিই বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহনের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। তারা হলেন:

১. মো. বাবলুর রহমান: বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত নওশের আলী মোড়লের ছেলে।

২. মো. নুরুজ্জামান: একই থানার বড় আঁচড়া মাঠপাড়া এলাকার মো. আজগার আলীর ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও পরিবহনে ব্যবহৃত টয়োটা প্রাইভেটকারটি এবং আসামিদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার বিকেলেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মদন মোহন সাহা বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

ঝিকরগাছা থানা পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া এই বিশাল ইয়াবা চালানের মূল উৎস (সোর্স) কোথায় এবং যশোরের স্থানীয় আর কারা এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত, তাদের শনাক্ত করতে ব্যাপক তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রতি ছাত্র উপদেষ্টার শতকোটি টাকার দুর্নীতি মিলবে’

ঝিকরগাছায় প্রাইভেটকারের গোপন বক্সে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ বেনাপোলের ২ কারবারি গ্রেপ্তার

আপডেট: ১০:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা উপজেলায় একটি প্রাইভেটকারে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার বেনেয়ালী বাজার এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, যশোর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের দিকে বেনাপোল থেকে একটি মাদকের বড় চালান যশোরের দিকে যাচ্ছে— এমন একটি গোপন সংবাদ পান তারা। এই সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে বেনেয়ালী বাজার এলাকায় যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে সন্দেহভাজন একটি সিলভার রঙের টয়োটা এক্স করোলা (Toyota X Corolla) মডেলের প্রাইভেটকারকে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়। পরে গাড়িটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশিকালে সেটির ড্যাশবোর্ড এবং রানিং বোর্ডে নিখুঁত ও বিশেষভাবে তৈরি করা গোপন বক্সের সন্ধান মেলে। সেই বক্সের ভেতর থেকে একে একে ১০ হাজার পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন ডিএনসি কর্মকর্তারা।

গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তিই বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহনের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। তারা হলেন:

১. মো. বাবলুর রহমান: বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত নওশের আলী মোড়লের ছেলে।

২. মো. নুরুজ্জামান: একই থানার বড় আঁচড়া মাঠপাড়া এলাকার মো. আজগার আলীর ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও পরিবহনে ব্যবহৃত টয়োটা প্রাইভেটকারটি এবং আসামিদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার বিকেলেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মদন মোহন সাহা বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

ঝিকরগাছা থানা পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া এই বিশাল ইয়াবা চালানের মূল উৎস (সোর্স) কোথায় এবং যশোরের স্থানীয় আর কারা এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত, তাদের শনাক্ত করতে ব্যাপক তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।