০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, মামলার পর তিনজন আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:১৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৫৬৪

যশোরের শার্শা উপজেলার ছোট বসন্তপুর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। পলাতক বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের হাসিব আল হাসান (১৯), ছোট বসন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন (২৪) এবং মেহেদি হাসান টুটুল (২৫)। মামলার অপর দুই আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬) ও ইমন (২৪) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১২ জুন গভীর রাতে ভুক্তভোগী নারী ঘর থেকে বাইরে বের হলে অভিযুক্তরা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে এবং অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আটক তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক দুই আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী টিপু সুলতান আটক

শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, মামলার পর তিনজন আটক

আপডেট: ০২:১৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার ছোট বসন্তপুর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। পলাতক বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের হাসিব আল হাসান (১৯), ছোট বসন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন (২৪) এবং মেহেদি হাসান টুটুল (২৫)। মামলার অপর দুই আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬) ও ইমন (২৪) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১২ জুন গভীর রাতে ভুক্তভোগী নারী ঘর থেকে বাইরে বের হলে অভিযুক্তরা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে এবং অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আটক তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক দুই আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।