১১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বেনাপোলে পারিবারিক কলহে কিশোরীর আত্মহত্যা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৫১২

যশোরের বেনাপোলে পারিবারিক অশান্তি ও কলহের জেরে আসমা খাতুন (১৩) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার (১২ জুন, ২০২৬) বিকেলে বেনাপোল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা খাতুন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বাসিন্দা বাবু গাজীর মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল গ্রামের দুখু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আসমার বাবা ও মা দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী ঋণের চাপে জর্জরিত ছিলেন। এই সংকটের মধ্যেই আসমার ভাই সাকিব কোনো কাজ না করেই বিয়ে করেন। বেকার ভাইয়ের বিয়ের পর থেকেই পরিবারটিতে চরম অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে পারিবারিক কলহ চরম আকার ধারণ করে। পরিস্থিতির এক পর্যায়ে বাবা বাবু গাজী ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে সাকিব ও তার নববধূকে ঘর থেকে বের করে দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মাঝে তীব্র মানসিক চাপ ও মান-অভিমান তৈরি হয়। এরই মধ্যে পরিবারের সবার অলক্ষ্যে বিকেলে ঘরের আড়কাঠে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আসমা আত্মহত্যা করে
ঘটনার পর স্বজনরা আসমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. নিশাত জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে শার্শা থানা পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ভাগ্নে ইমন’ আটক

বেনাপোলে পারিবারিক কলহে কিশোরীর আত্মহত্যা

আপডেট: ১০:২৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

যশোরের বেনাপোলে পারিবারিক অশান্তি ও কলহের জেরে আসমা খাতুন (১৩) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার (১২ জুন, ২০২৬) বিকেলে বেনাপোল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা খাতুন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বাসিন্দা বাবু গাজীর মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল গ্রামের দুখু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আসমার বাবা ও মা দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী ঋণের চাপে জর্জরিত ছিলেন। এই সংকটের মধ্যেই আসমার ভাই সাকিব কোনো কাজ না করেই বিয়ে করেন। বেকার ভাইয়ের বিয়ের পর থেকেই পরিবারটিতে চরম অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে পারিবারিক কলহ চরম আকার ধারণ করে। পরিস্থিতির এক পর্যায়ে বাবা বাবু গাজী ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে সাকিব ও তার নববধূকে ঘর থেকে বের করে দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মাঝে তীব্র মানসিক চাপ ও মান-অভিমান তৈরি হয়। এরই মধ্যে পরিবারের সবার অলক্ষ্যে বিকেলে ঘরের আড়কাঠে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আসমা আত্মহত্যা করে
ঘটনার পর স্বজনরা আসমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. নিশাত জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে শার্শা থানা পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।