০৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৫১৩

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হলে ঘটনাটি দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার বিভিন্ন দিক উঠে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকা, বিকল্প ভেন্টিলেশনের অভাব এবং বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি নবজাতকদের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নোটিসে তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হলেও হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, নিহত ছয় নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারের জন্য ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং এ বিষয়ে যথাযথ সুপারিশ প্রদান করা হবে। :::

সর্বাধিক পঠিত

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা

আপডেট: ০৬:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হলে ঘটনাটি দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার বিভিন্ন দিক উঠে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকা, বিকল্প ভেন্টিলেশনের অভাব এবং বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি নবজাতকদের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নোটিসে তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হলেও হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, নিহত ছয় নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারের জন্য ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং এ বিষয়ে যথাযথ সুপারিশ প্রদান করা হবে। :::