০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মণিরামপুরে রাজমিস্ত্রি হত্যা: পলাতক দুই আসামি আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৫১২

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শরমপুর গ্রামে নাতনিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রি ইমামুল হোসেন হত্যা মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে আটক করেছে র‍্যাব-৬, যশোর।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর যশোর সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়া এলাকায় রজনীগন্ধা তেলের পাম সংলগ্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন নিহতের গ্রামের বাসিন্দা ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাব্বি ও রাকিব।

র‍্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তারা ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তারা সায়রা পরিবহনের একটি বাসে করে যশোরে ফিরছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুন রাত ৯টার দিকে মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের শরমপুর গ্রামে রাজমিস্ত্রি ইমামুল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসতপুর গ্রামের মৃত রহিম সরদারের ছেলে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নাতনিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় ইমামুল হোসেনকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর মণিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক ছিলেন। অবশেষে র‍্যাবের অভিযানে তাদের আটক করা সম্ভব হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

মণিরামপুরে রাজমিস্ত্রি হত্যা: পলাতক দুই আসামি আটক

আপডেট: ১০:৪৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শরমপুর গ্রামে নাতনিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রি ইমামুল হোসেন হত্যা মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে আটক করেছে র‍্যাব-৬, যশোর।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর যশোর সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়া এলাকায় রজনীগন্ধা তেলের পাম সংলগ্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন নিহতের গ্রামের বাসিন্দা ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাব্বি ও রাকিব।

র‍্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তারা ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তারা সায়রা পরিবহনের একটি বাসে করে যশোরে ফিরছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুন রাত ৯টার দিকে মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের শরমপুর গ্রামে রাজমিস্ত্রি ইমামুল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসতপুর গ্রামের মৃত রহিম সরদারের ছেলে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নাতনিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় ইমামুল হোসেনকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর মণিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক ছিলেন। অবশেষে র‍্যাবের অভিযানে তাদের আটক করা সম্ভব হয়েছে।